নিউজটি শেয়ার করুন

অন্যায়কারীদের সরাসরি শাস্তিই শেয়ার বাজারের আস্থা পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ

সিপ্লাস প্রতিবেদক: অন্যায়কারীদের সরাসরি শাস্তিই শেয়ার বাজারের আস্থা পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অফ পাবলিক লিলিস্টেড কোম্পানিজ (বিএপিএলসি) এর সভাপতি আজম জে চৌধুরী।

তিনি আরো বলেন, ‘অন্যায়কারীদের জন্য সরাসরি শাস্তি, আইনের দ্রুত প্রয়োগ, সুশাসন নিশ্চিতকরণ, পর্যাপ্ত মূল্যায়নের মাধ্যমে ভাল স্টক এবং নতুন পণ্য বাজারে আনাই বাজারের আস্থা পুনরুদ্ধারের একমাত্র পথ। বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলির জন্য সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলিতে (মার্চেন্ট ব্যাংকস, ব্রোকারেজ) বিনিয়োগের সীমাবদ্ধতা (২৫ শতাংশ) পর্যালোচনা করা উচিত, কারণ সংকট হ্রাস করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগের কোন বিকল্প নেই।’

শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে অনলাইনে অনুষ্ঠিত কোভিড-১৯ পরবর্তী পুঁজিবাজার শীর্ষক আলোচনা সভায় আজম জে চৌধুরী এ সব কথা বলেন।

এমসিসিআই সভাপতি ব্যারিস্টার নীহাদ কবিরের সঞ্চালনায় অধিবেশনটিতে বিএসইসির চেয়ারম্যান, সিএসই চেয়ারম্যান, ডিএসই ও সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালকগণ, বিল্ডের চেয়ারম্যান, ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি ও সিইও, পলিসি এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্টেক হোল্ডাররা অংশগ্রহণ করেন।

ব্যারিস্টার নীহাদ কবির তার বক্তৃতায় বিএসইসি গঠন থেকে গত ২৭ বছরে পর্যাপ্ত ভাল কোম্পানীকে তালিকাভুক্ত করা হয়নি এবং ভাল কর্পোরেট হাউসগুলি মূল্যায়নের অভাবে, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর দীর্ঘসুত্রিতা ও পুরোনো মানসিকতার কারণে তালিকাভুক্ত হতে নারাজ বলে মন্তব্য করেন।

আইসিবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘ মেয়াদী ভিত্তিতে স্বল্পমেয়াদী বিনিয়োগ একটি অকার্যকর প্রক্রিয়া, যা আইসিবিকে দিন দিন অকার্যকর করে তুলছে। আইসিবি কর্তৃক বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলি থেকে নেওয়া লোনের বিপরীতে ডিডিআর এর উচ্চ সুদের হারটি রিটার্নের হারের তুলনায়, তহবিলের ব্যয়কে বিশাল করে তোলে; যা বছরের পর বছর ধরে আইসিবির দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগের বিনিয়োগকে  সীমাবদ্ধ করেছে।’

নিরীক্ষা ব্যবস্থা, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলির জবাবদিহীতা কঠোর হওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন বিল্ড চেয়ারম্যান আবুল কাসেম খান।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও আমরা দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগের জন্য ব্যাংক অর্থায়নের উপর নির্ভরশীল।’