সিপ্লাস ডেস্ক: টাঙ্গাইল আদালতে বৃহস্পতিবার এফিডেভিটের মাধ্যমে শাবনুর আক্তার খাদিজাকে বিয়ে করার কথা ছিল আব্দুল খালেকের। কিন্তু ওইদিন শাবনুর আদালতে না গিয়ে অন্য ছেলের সঙ্গে ঘুরতে বের হয়।
এ খবর পরে জানতে পারে খালেক। এ জন্য ক্ষিপ্ত হয়ে শুক্রবার কোনো এক সময় শহরের সাহাপাড়ায় শাবনুরের ভাড়া বাসায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে খালেক নিজেই হত্যা করে পালিয়ে যায়।
শনিবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আকরাম হোসেনের আদালতে গ্রেফতারকৃত খালেক স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।
শুক্রবার রাতে শহরের সাহাপাড়ার ভাড়া বাসা থেকে শাবনুর আক্তার খাদিজার (২০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
শনিবার ভোরে সদর উপজেলার করটিয়া থেকে টাঙ্গাইল থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করে। তিনি শহরের কাগমারা এলাকার আবু সাঈদের ছেলে। নিহত শাবনুর দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইল ইউনিয়নের চিনাখোলা গ্রামের জাকির হোসেনের মেয়ে।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি মীর মোশারফ হোসেন জানান, শুক্রবার দুপুরের দিকে খালেক সাহাপাড়ায় শাবনুরের ভাড়া বাসার ঘর বন্ধ করে বাইরে চলে যান। এ সময় পাশের ভাড়াটিয়াকে আব্দুল খালেক জানান, শাবনুর ঘুমাচ্ছে, তিনি জরুরি কাজে বাইরে যাচ্ছেন। সারাদিন যাওয়ার পর আশেপাশের মানুষের সন্দেহ হয়। তারা স্থানীয় পৌর কাউন্সিলার ও পুলিশকে ঘটনা জানায়। পরে কাউন্সিলারের উপস্থিতিতে পুলিশ রাত ১০টার দিকে শাবনুরের লাশ উদ্ধার করে।
শনিবার ভোরে সদর উপজেলার করটিয়া থেকে আব্দুল খালেককে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি শ্বাসরোধ করে শাবনুরকে হত্যার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হন।
নিহত শাবনুরের বাবা জাকির হোসেন জানান, গত সপ্তাহে শাবনুর গাজীপুরে গার্মেন্টসে চাকরি করবে বলে বাড়ি থেকে বের হয়। শাবনুর বিয়ে করেছে কিনা তারা জানেন না।
অপরদিকে আব্দুল খালেকের মা জানান, গত সোমবার খালেক বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তার মোবাইলও বন্ধ ছিল। বাড়ির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না।







