সিপ্লাস ডেস্ক: করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্ববাজারে চলছে মন্দা। এর বড় প্রভাব পড়েছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দামে। বিশ্ববাজারে এলপিজির দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে।
এলপিজি তৈরি হয় দুটি গ্যাস-প্রপেন ও বিউটেনের মিশ্রণে। এই গ্যাস দুটির দাম এক মাসে অর্ধেকে নেমে এসেছে।
বাংলাদেশের এলপিজি সরবরাহকারী কোম্পানিগুলো প্রায় ৩০ শতাংশ প্রপেন ও ৭০ শতাংশ বিউটেনের মিশ্রণে এলপিজি বাজারজাত করে থাকে।
আমাদের এই অঞ্চলে এলপিজির দাম নির্ভর করে সৌদি অ্যারাবিয়ান অয়েল কোম্পানির (সৌদি অ্যারামকো) নির্ধারিত দামের ওপর। সৌদি আরামকো প্রতি মাসে এলজিপির একটি দাম নির্ধারণ করে। মঙ্গলবার তারা প্রতি টন প্রপেনের দাম নির্ধারণ করেছে ২৩০ মার্কিন ডলার, যা আগের মাসে ছিলো ৪৩০ ডলার। অন্যদিকে বিউটেনের দাম ৪৮০ ডলার থেকে কমিয়ে ২৪০ ডলার ঘোষণা করে। জ্বালানি তেলের বাজার নিয়ে রাশিয়া ও সৌদি আরবের দ্বন্দ্ব এবং করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে অর্থনৈতিক মন্দাকে দাম এভাবে কমে যাওয়ার জন্য দায়ী করা হচ্ছে।
বিশ্ববাজারে দাম কমা নিঃসন্দেহে সুখবর। তবে সেই সুবিধা বাংলাদেশের মানুষ পাবে কি না তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। কেননা, কম দামের সেই গ্যাস দেশে আনা এখন চ্যালেঞ্জের। কোনো পরিবেশক এখন ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পৌঁছাতে পারছে না। সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হওয়ায় সেই গ্যাস দেশের মানুষের কাছে পৌঁছানোও দুষ্কর। তবে এই দাম যদি বিশ্ববাজারে দীর্ঘদিন টেকে, তাহলেই আমরা সেই সুবিধা পেতে পারি।








