আদালত প্রতিবেদক: বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন রৌফাবাদ এলাকায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে জোর পূর্বক আটকে রেখে পতিতাবৃত্তি করানোর অপরাধে তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
২৪ জুলাই শনিবার মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
নিশ্চিত করেছেন বায়েজিত বোস্তামী থানা আদালত জেনারেল রেজিস্ট্রার অফিসার। আটকরা হলেন সুরমা বেগম প্রকাশ সুমি (৩৫), তানজিল হোসেন (২২) ও এমরান হোসেন (২১)।
এসময় ঘটনাস্থল থেকে দুইজন ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
আদালত সুত্রে জানা যায়, ভিকটিমের স্বামী অসুস্থ থাকায় তিনি বাধ্য হয়েই চাকরি খুঁজছিলেন। সেই সুবাদে গত ৭ জুলাই চাকুরী দেওয়ার কথা বলে ভিকটিমের শ্বশুর বাড়ির এলাকায় বসবাসরত আটক আসামীরা ভিকটিমকে বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন রৌফাবাদ সোহাগের কলোনীতে আসামীর ভাড়াঘরে নিয়ে আসে। আটক আসামীরা তাকে উক্ত বাসায় কৌশলে আটকে রেখে জোরপূর্বক পতিতাবৃত্তি করতে বাধ্য করাতেন। ভিকটিম রাজি না হলে অপরাপর আসামীরা ভিকটিমকে মারধর করতেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুলাই আসামীরা অপর আর একটি মেয়েকেও চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে আসে এবং একই কাজে বাধ্য করে।
এ সংক্রান্তে গতকাল ভিকটিম কৌশলে নিজের মোবাইল থেকে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল দিয়ে অভিযোগ করলে তৎক্ষনাৎ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অপরাধের সাথে জড়িত তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে বায়েজিদ থানা পুলিশ। পরে ভিকটিমের অভিযোগের ভিত্তিতে আটককৃতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রুজু করে আদালতে আনা হলে আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের নিদেশ দেয়।








