সিপ্লাস প্রতিবেদক: চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার চাতরী ইউনিয়নের সিংহড়া গ্রামে যুগ যুগ ধরে খাবার পানি সংকটে এলাকাবাসী। একমাত্র পুকুরের পানি শেষ ভরসা এ গ্রামের হাজারও মানুষের।
গভীর নলকূপের কারণে অধিকাংশ টিউবওয়েলের পানি শুকিয়ে অকেজো হয়ে পড়েছে। এ কারণে পুকুর গুলোর পানিও কমতে শুরু করেছে। শুধু তা নয় চলমান ওয়াসার পানি প্রকল্পেও রয়েছে চাঁদাবাজির অভিযোগ।
এ খাবার পানি সংকট সমাধানে এখন কে বা কারা কাজটি করবেন সেটি জানে না কেউ। এমনকি মন্ত্রী-এমপির একাধিকবার আশ্বাসেও হয়নি পানির সুরাহা এমন অভিযোগ গ্রামবাসীর।

যে কয়েকটি সচল রয়েছে সেগুলোর পানি লবণাক্ত । তারপরও জীবন বাঁচাতে এলাকার মানুষ এসব পানি ব্যবহারসহ সরাসরি পান করছেন। এলাকার মানুষ দূর-দূরান্ত থেকে পানি এনে কোনোরকম সংকট মেটাচ্ছেন। অধিকাংশ পুকুরে লবণাক্ততার কারণে জীবণের ঝুঁকি নিয়ে এ পানি ব্যবহার করছে। এতে করে জটিল রোগের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
চাতুরী এলাকার মানুষ বলেন, লবণাক্ততার কারণে পানি খাওয়া না গেলেও জীবন বাঁচাতে খেতে হচ্ছে। মন্ত্রী বহুবার এসে পানির ব্যবস্থা করার কথা বলে যান। তারপর আর কোন খবর থাকে না। আমরা অনেক কষ্টে আছি। প্রতিদিনই নারী পুরুষ সবাইকে ২/৩ মাইল হেটে গিয়ে পানি আনতে হয়।
উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী সিপ্লাসকে বলেন, পানি সংকটের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তারপরও আমরা চেষ্টা করছি পানি সংকট নিরসন করতে। এরপরও আমরা ২০২২ সালের মধ্যে ওয়াসার পানি পাবো। তখন হয়তো এ সমস্যা আর থাকবে না।








