নিউজটি শেয়ার করুন

আনোয়ারায় বিয়ের খাবার নিয়ে মারামারি, ভেঙ্গে গেল বিয়ে (ভিডিওসহ)

আনোয়ারায় বিয়ের অনুষ্ঠানে বরকে খাবার দিতে দেরী হওয়ায় কনের ভাইকে মারধর করেছে বর পক্ষের লোকজন। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারি লেগে যায়। ফলে ভেঙ্গে যায় বিয়ে। এক পর্যায়ে আনোয়ারা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জানা যায়, আনোয়ারা উপজেলার মহতর পাড়া গ্রামের শরীফ মেম্বারের বাড়ির রবিউল হোসেনের ছেলে মোঃ রুবেলের সাথে বাঁশখালী বাণিগ্রাম পূর্ব বৈলগাঁও গুচ্ছগ্রামের আব্দুল মোতালবের মেয়ে শাবনুর আকতারের সাথে বিয়ে নির্ধারণ করা হয়। বিয়েতে আড়াইশত বরযাত্রী খাওয়ানোর কথা ছিল।

গত শনিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আনোয়ারা সরকার হাট আল আমিন কমিনিউটি সেন্টারে বিয়ের অনুষ্ঠান ঠিকঠাকভাবে চলছিল। কনে পক্ষ কতৃক ৫ শতাধিক মানুষের খাবারের আয়োজন করেন। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বরপক্ষের আড়াইশ বেশি মানুষ ও কনেপক্ষ সহ ৫শতাধিক খাবারের আয়োজন শেষে খাবারের সংকট দেখা দেই। এসময় বর ও তার মা-বাবা সহ ৫০ জনের বেশি সঙ্গী উপস্থিত হয়। তাদের জন্য নতুনভাবে খাবার তৈরি করতে দেরী হলে বরপক্ষের লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়ে। এসময় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারামারি সৃষ্টি হয়। বর পক্ষের লোকজন কনে পক্ষের লোকজনকে মারধর করেন। এতে কন্যার মা, ছোট ভাই ও ভাবি আহত হয়। ফলে ভেঙ্গে যায় বিয়ে।

কনের বাবা জানান, ৫ লক্ষ টাকা খরচ করে মেয়ের বিয়ে আয়োজন করেছি। বিয়ের দিন বরপক্ষের লোকজন বেশি আসায় খাবারের সংকট দেখা দেই। তাদের জন্য নতুনভাবে খাবার তৈরি করাই, খাবার দিতে দেরি হয়। এর কারণে বরের ভাই সোহেল উত্তেজিত হয়ে পড়ে। তার সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে তিনি মারধর করে।

তিনি আরও জানান, এ ধরনের ঘটনা কারো কাম্য নয়। খাবারের জন্য এ ধরনের কাজ করতে পারে এটা কেউ আশা করিনি। ওদের আচরণ দেখে আমরা মেয়ে দিইনি। আমরা এটার একটা সুষ্ঠু বিচার চাই৷ বরের মা জানান, ভাত দিতে দেরি হওয়ায় আমার ছোট ছেলের সাথে কথা কাটাকাটি হয়েছে। সেদিন পরিস্থিতি উত্তেজনা থাকায় মেয়ে নিয়ে আসিনি। এখন আমি বউ আনতে রাজি।

আগামীকাল রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দু’পক্ষের বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।