আনোয়ারা উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও প্রবেশমুখে অপরাধ দমনের জন্য বসানো হয়েছিল উপজেলা প্রশাসনের ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা। কিন্তু চালুর হওয়ার দুই মাসের মাথায় নষ্ট হয়েছে বেশিভাগই ক্যামেরা।
অনেক স্থান থেকে চুরিও হয়ে গেছে ক্যামরা ও সংযোগ কেবল। ফলে গুরুত্বপূর্ণ স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরিসহ নানা অপরাধের ঘটনা বেড়েছে।
সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৭ সালে উপজেলার আনোয়ারা সদর, জয়কালীর হাট, ছাত্তার হাট, কালাবিবির দিঘীর মোড়, সরকার হাট, বরুমচড়া রাস্তার মাথা, বরুমচড়া সেন্টার, চাতরী চৌমহনী বাজার, বন্দর কমিউনিটি সেন্টার, বটতলী রুস্তম হাট, জুঁইদন্ডী চৌমুহনী, পারকি সমুদ্র সৈকতসহ উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণস্থান ও সড়কে ৪টি করে মোট ৪৪ টি সিসি ক্যামেরা বসায় উপজেলা প্রশাসন।
বসানোর দুই মাসের মাথায় অচল হয়ে পড়ে ও অনেক স্থানে ভেঙ্গে দিয়েছে এসব ক্যামরা। বসানোর পর এখনো পর্যন্ত কোনো প্রকার সংস্কার ও তদরাকরি করতে দেখা যায়নি কাউকে। এতে করে দিনদিন বেড়েছে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থান থেকে ১০টি মোটরসাইকেল চুরি, র্যাব পরিচয়ে ছিনতাই, ধর্ষণ, অপহরণসহ নানা অপরাধের ঘটনা ঘটলেও পুলিশ বা প্রশাসন সিসি ক্যামরা নষ্ট হওয়ার কারণে কোনো অপরাধীকে সনাক্ত করতেও পারেনি।
সিসি ক্যামরা সচল থাকলে এসব অপরাধ দমন ও অপরাধীদের সহজেই আইনের আওতায় আনা যেত বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
চাতরী চৌমুহনী বাজার এলাকার মাইক্রোবাস চালক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, বছর দেড় আগে দেখেছিলাম কিছু সিসি ক্যামরা লাগিয়েছে চাতরী চৌমুহনী বাজারে। কিন্তু লাগানোর কয়েক দিন ভালো চললেও আস্তে-আস্তে দেখি এসব ক্যামরা কেউ ভেঙ্গে দিয়েছে। আবারো অনেক জায়গায় দেখি ক্যামরা আছে তার নেই। ক্যামরা গুলো সচল না থাকায় বেড়েছে চুরিসহ নানা অপরাধ। উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পুনরায় ক্যামরা গুলো স্থাপন করলে কিছুটা হলেও কমবে অপরাধ।
এবিষয়ে আনোয়ারা উপজেলা চেয়ারম্যান তৌহিদুল হক চৌধুরী বলেন, সরকারি নির্দেশে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কিছু ক্যামরা বসানো হয়েছিলো। নানা কারণে এসব ক্যামরা বিকল হয়ে যায়। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে আবারো এসব স্থানে উন্নতমানের সিসি ক্যামরা বসানো হবে।








