নিউজটি শেয়ার করুন

আবারো উত্তাল চট্টগ্রামের কওমি অঙ্গন, নাজিরহাট বড় মাদ্রাসায় ছাত্রদের সংঘর্ষ

সিপ্লাস প্রতিবেদক: আবারো উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের কওমি অঙ্গন। কিছুদিন আগে হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় ছাত্র আন্দোলনের পর এবার নাজিরহাট আল
জামিয়াতুল আরবিয়া নছিরুল ইসলাম বড় মাদ্রাসায় পরিচালক পদ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তজেনা দেখা দিয়েছে।
জানা যায়, গত ২৭ জুন মাদ্রাসার পরিচালক আল্লামা ইদ্রিস ইন্তেকাল করলে সহকারী পরিচালক মুফতি হাবিবুর রহমানকে সাময়িক দায়িত্ব দেয় শূরা কমিটি। পরবর্তিতে মাদ্রাসার শূরা সদস্য
হাটহাজারী বড় মাদ্রাসার প্রয়াত পরিচালক আল্লামা আহমদ শফী মাওলানা সলিমুল্লাহকে নাজিরহাট বড় মাদ্রাসার মুহতামিম ঘোষণা করলে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মুফতি হাবিবুর রহমানসহ শূরার অনেক
সদস্যরা এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
এরমধ্যে দু’পক্ষের বিদ্যমান জটিলতা নিরসনে আগামী ২৮ অক্টোবর শূরা কমিটির বৈঠক ডাকা হয়। এই উপলক্ষে ও মাদ্রাসার উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে মুহতামিম দাবিদার মাওলানা সলিমুল্লাহ ২৪
অক্টোবর শনিবার এলাকাবাসী-ছাত্র-শিক্ষকদের উপস্থিতিতে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন সময়ে কিছু ছাত্র স্লোগান দিতে দিতে হামলা চালায়।

এসময় উভয়ক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে এবং বেশ কয়েকজন আহতও হয়।পরে র‍্যাব, পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।

অন্যদিকে মাওলানা সলিমুল্লাহ এ ব্যাপারে বলেন, আল্লামা জুনাইদ বাবুনগরীর ইন্ধনে এসব কর্মকান্ড হচ্ছে। হাটহাজারী মাদরাসায় ছাত্রদের দিয়ে যেভাবে ঘটনা ঘটিয়েছেন ঠিক একইভাবে নাজিরহাট মাদরাসায়ও করতে চাচ্ছেন।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বর্তমানে নাজিরহাট এলাকায় উত্তজেনা বিরাজ করছে।
পরে ঘটনাস্থলে ছুটে যান, স্থানীয় এমপি নজিবুল বশর মাইজভান্ডারি, শুরা সদস্য মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মাসুম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল আরেফিন,সহ আরো প্রশাসনিক কর্মকর্তারা এবং মিটিং করেন দুই পক্ষের সাথেই। সিদ্ধান্ত হয় আগামী ২৬ অক্টোবরই অনুষ্ঠিত হবে শুরা কমিটির বৈঠক