কক্সবাজারের চকরিয়াতে আমার লবণ চাষের জমি আছে। আমিও একজন লবণ চাষী। সেই ১৯৮৬ সালে এরশাদ আমলে আমি যখন ইয়ং এমপি তখন আমি লবণ চাষ করতাম। সুতরাং আমিও আপনাদের মানুষ। আমাকেও আপনাদের সাথে রাখবেন।
শুক্রবার (৬মার্চ) কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত লবণচাষী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে লবণ চাষীদের উদ্দ্যেশ্য করে শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন একথা বলেন। এসময় তিনি কক্সবাজারে লবণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা করার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, লবণকে শিল্পপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হবে এবং লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে উপযোগিতাসহ যাচাই-বাছাই করে কক্সবাজারের লবণ বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, লবণচাষীদের বাঁচাতে হবে। লবণের ন্যায্য মূল্য দিতে লবণে ভর্তুকি দেয়া হবে। কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করা হবে। তার সাথে লবণচাষীদের দেয়া দাবিগুলো আমরা যথাযথভাবে মূল্যায়ন করবো। আপনাদের দাবির আলোকে লবণের মূল্য এবং আরো চাষ বাড়াতে একটা স্থায়ী সমাধান বের করা করবো। তিনি বলেন, লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের নিয়ে বসবে সরকার। ব্যবসায়ীদের সাথে বসে চাষীদের স্বার্থ রক্ষার যা করণীয় সব পদক্ষেপ নেয়া হবে। ব্যবসায়ীদের সাথে সমন্বয় করেই লবণের ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করা হবে।
শিল্পমন্ত্রী বলেন, আমিও একজন লবণচাষী। চকরিয়ায় আমার লবণ চাষের জমি রয়েছে। সেখানে বিভিন্ন সময় আমি লবণ চাষ করেছি। সুতরাং আমি লবণ চাষ এবং চাষীদের কষ্ট সম্পর্কে জানি। আমিও এজন লবণচাষী হিসেবে আমিও আপনাদের সাথে আছি।
জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এড. সিরাজুল মোস্তফার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত লবণ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, কক্সবাজার সদর-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য কানিজ ফাতেমা মোস্তাক, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল করিমসহ আরো অনেকে। লবণ নিয়ে বিসিকের কি পদক্ষেপ তা জানাতে মন্ত্রীর আহ্বানে বক্তব্য তুলে ধরেন বিসিকের চেয়ারম্যান।
তিনি তার বক্তব্যে জানান, লবণচাষীদের দুর্দশা লাঘব করার জন্য ঋণ ব্যবস্থা করার জন্য ব্যাংকগুলোর সাথে কথা হয়েছে, চাষীয়দের ন্যায্য মূল পাওয়ার জন্য পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, বিদেশ থেকে লবণ আমদানি রোধে কঠোরতা অবলম্বন করা হয়েছে, চাষীদের কাছ থেকে সরাসরি লবণ ক্রয়ের জন্য উদ্যোগ নেয়া হবে।








