সিপ্লাস ডেস্ক: রংপুরে আলুর বাম্পার ফলনে কৃষকদের মুখে হাসি ফোটলেও ন্যায্য মূল্য না পাওয়া হতাশা তাদের মাঝে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি উৎপাদন হওয়ায় আলুর দাম কমে গেছে বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।
আলুর ব্যবহার চিপসসহ অন্যান্য খাদ্য ও বিদেশে রপ্তানি করা গেলে আলুর ভাল দাম পাবেন কৃষক। এখনো ৫ মাসের বেশি সময় রয়েছে, নতুন আলু উঠতে। তাই দাম বাড়বে। চিন্তার কোনো কারণ নেই বলছেন কৃষি বিভাগ।
রংপুরের কৃষকরা জানান, প্রতিমণ আলু উৎপাদন করতে খরচ হয়েছে সাড়ে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। বর্তমান বাজারে আলুর দাম কম থাকায় তাদের উৎপাদন খরচ উঠছে না। তাই তারা হিমাগার থেকে আলু তুলছেন না।
কৃষি অফিস ও হিমাগার মালিক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, রংপুর অঞ্চলে হিমাগার রয়েছে ৩৯টি। হিমাগারগুলোতে এখনো ৭০ শতাংশ আলু মজুদ রয়েছে। মাত্র ৩০ শতাংশ আলু উত্তোলন করা হয়েছে। তথ্য মতে, হিমাগারগুলোতে এখনো ২৮ লাখ বস্তা (প্রতি বস্তা ৬০ কেজি) মজুদ রয়েছে।
কৃষি অফিসের মতে, রংপুর জেলায় গত মৌসুমে ৫৫ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে প্রায় ২০ মেট্রিক টন করে আলুর উৎপাদন হয়েছে। এবার কিছুটা বেশি জমিতে আলু আবাদ হয়েছে। বাজারে আলুর খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৮ থেকে ২০ টাকা হলেও হিমাগার পর্যায়ে পাইকারি মূল্য ১০ থেকে ১১ টাকা প্রতি কেজি। তাই ব্যবসায়ী ও কৃষকরা হিমাগার থেকে আলু তুলছেন না।
রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ওবায়দুর রহমান বলেন, নতুন আলু আসতে এখনো ৫ মাসের বেশি সময় বাকি রয়েছে। তাই আলু দাম নিয়ে চিন্তিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। কৃষকরা আলুর ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

