সিপ্লাস ডেস্ক: আলোচিত-সমালোচিত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল এবং তার স্ত্রী ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে সিরাজগঞ্জের একটি আদালতে মামলা হয়েছে।
বুধবার (২৫ আগস্ট) সকালে প্রতারণা ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগে সিরাজগঞ্জ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জেসমিন আরার আদালতে মামলাটি করেন মো. রাজ নামে এক ব্যক্তি। তার বাড়ি জেলার কামারখন্দ উপজেলায়।
এ বিষয়ে বাদীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম সোহাগ বলেন, বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ ও কাগজপত্র বিবেচনায় মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগশনকে (পিবিআই) তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, চলতি বছরের ৪ মে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ইভ্যালিতে একটি টেলিভিশন, পেনড্রাইভ ও আয়রন মেশিনসহ ৫টি পণ্য ক্রয়ের অর্ডার করন বাদী। মূল্য হিসেবে ৫০ হাজার ৭৩৭ টাকাও পরিশোধ করেন তিনি। নীতিমালা অনুযায়ী অর্ডারের ৭ থেকে ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার নিয়ম হলেও এখন পর্যন্ত পণ্য ডেলিভারি দেওয়া হয়নি। যে কারণে তিনি প্রতারণার মামলা দায়ের করেছেন।
এদিকে কাস্টমার ও মার্চেন্টদের কাছে ই-কমার্স প্লাটফর্ম ইভ্যালির প্রকৃত দেনার পরিমাণ আরও বেশি বলে গত বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছিলেন কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাসেল।
তার হিসাবেই গত ১৫ জুলাই পর্যন্ত কাস্টমারদের কাছ থেকে নেওয়া অগ্রিম, সরবরাহকারীদের কাছে দেনা ও ব্যবসায়িক দেনাসহ ইভ্যালির মোট চলতি দায়ের পরিমাণ ৫৪৩ কোটি টাকা। এছাড়া শেয়ারহোল্ডার ইক্যুইটি বাবদ দায় রয়েছে আরও এক কোটি টাকা।
অর্থাৎ, ইভ্যালির মোট দেনার পরিমাণ ৫৪৪ কোটি টাকা। এটি গত জুন মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন রিপোর্টে উল্লেখ করা ইভ্যালির দেনার তুলনায় ১৪০ কোটি টাকা বেশি।








