Site icon CPLUSBD.COM

ইরাকে বিক্ষোভে নিহত চার, আহত ৪৮

বৃহস্পতিবার দুটো গুরুত্বপূর্ণ সেতুর কাছে বিক্ষোভে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। সরাসরি মাথায় গুলি এবং গ্যাস ক্যানিস্টারের আঘাতই বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুর কারণ বলে জানিয়েছেন নিরাপত্তা ও চিকিৎসা কর্মকর্তারা।

পুলিশ এর আগে প্রাথমিকভাবে সিনাক সেতুর কাছে এক বিক্ষোভকারী এবং ওই সেতু সংলগ্ন আহরার সেতুর কাছে আরেক বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার খবর জানিয়েছিল।

পরে গুরুতর আহত আরো দুই বিক্ষোভকারী হাসপাতালে মারা যায়। তাদের একজন মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন এবং অপরজন কাঁদানে গ্যাস ক্যানিস্টারে আহত হয়েছিলেন। পুলিশ ও হাসপাতাল কর্মকর্তারা একথা জানিয়েছেন।

হাসপাতাল কর্মীরা বলেন, গুলিতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। আর আহত অন্যান্যদের মধ্যে কেউ গ্যাস ক্যানিস্টার এবং কেউ রাবার বুলেটবিদ্ধ হয়েছেন।

বিক্ষোভকারীরা এখনো বাগদাদের কেন্দ্রস্থলে কড়া নিরাপত্তাধীন গ্রিন জোন অভিমুখের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি সেতুর কাছে অবস্থান নিয়ে আছে। গ্রিন জোনে আছে সরকারি বিভিন্ন ভবন এবং দূতাবাসও।

কর্মসংস্থান সংকট দূর করা, সরকারের দুর্নীতি বন্ধসহ সরকারি সেবার মান বাড়ানোর দাবিতে গত ১ অক্টোবর থেকে বাগদাদে মানুষের আন্দোলন-বিক্ষোভ তীব্র হচ্ছে।বিক্ষোভ-সংঘর্ষে এ পর্যন্ত ৩শ’র বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।

২০০৩ সালে শাসক সাদ্দাম হোসেনের পতনের পর এটিই সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। বিক্ষোভে নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি, কাঁদানে গ্যাস এবং স্টান গ্রেনেডের ব্যবহারে অস্থিরতার আগুন আরো জ্বলে উঠছে। ইরাকে ২০১৭ সালে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস) এর পরাজয়ের পর যে শান্তির পরিবেশ ফিরে এসেছিল চলমান বিক্ষোভে তা আবার অশান্ত হয়ে উঠেছে।