নিউজটি শেয়ার করুন

উখিয়ায় কাঁচা বাজারে আগুন

ctg news

মোহাম্মদ ইব্রাহিম মোস্তফা, উখিয়া: রোহিঙ্গা অধ্যুষিত এলাকা কক্সবাজারের উখিয়ায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে হু হু করে বেড়েছে সবজির দাম।

দুয়েকদিনের বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় বাজারে সবজির সরবরাহ কমে গেছে। বাজার মনিটরিং না হওয়ায় উপজেলার সবগুলো কাঁচা বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি।

উখিয়ার কোটবাজার, মরিচ্যা বাজার, কুতুপালং বাজার, পালংখালী বাজার ও সদর দারোগা কাঁচা বাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকায়। টমেটো ২০০ থেকে ২২০ টাকা কেজি। কাঁচা মরিচের কেজি ২০০ থেকে ২২০ টাকা।

এ ছাড়া মুলা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, শসা ৫০ থেকে ৭০ টাকা, ঢেঁড়স ১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ধুন্দল, ঝিঙ্গা, কাঁকরোল ও চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পেঁপে ৫০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, কচুরলতি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৪০ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি লালশাক ও মুলা শাক ২০ থেকে ২৫ টাকা, শাপলা ও ডাঁটা শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি ফুলকপি ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারে দেশি পেঁয়াজ ৭০ টাকা ও ভারতীয় পেঁয়াজ ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, এক সপ্তাহ আগেও কাঁচামরিচ ছিল প্রতি কেজি ১৫০ টাকা। এর আগে ১৪০ টাকা কেজিতেও বিক্রি করেছেন তারা। অসময়ে বৃষ্টির কারণে মরিচ নষ্ট হওয়ায় এবং মরিচের ক্ষেত ডুবে যাওয়ায় সরবরাহ কমেছে। তাছাড়া করোনার কারণে আমদানি করা মরিচ বাজারে কম আসছে। ফলে দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে।

উখিয়া সুশীল সমাজের প্রতিনিধি নুর মোহাম্মদ সিকদার বলেন, রোহিঙ্গা না আসার আগে উখিয়ার মানুষ শান্তিতে ছিল। রোহিঙ্গাদের কারণে একদিকে যেমন আতংকে অন্যদিকে বাজারের পরিস্থিতিও ভালো না। ভালো একটি মাছ খেতে পারি না দেশের বিভিন্ন জেলা ও বিদেশে থেকে আগত চাকরিজীবীদের কারণে। একদিকে রোহিঙ্গা অন্যদিকে ‘ভুয়াইঙ্গা’৷

তিনি আরও বলেন, সাধারণ ভোক্তাদের অভিমত প্রশাসনের নিয়মিত মনিটরিংয়ে স্বাভাবিক রাখা যাবে বাজারের মুল্য পরিস্থিতি এবং কিছুটা হলেও লাগব হবে ভোক্তাদের ভোগান্তি৷

উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামুদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকারি তালিকা মুল্যের বেশি দামে কোন পন্য বিক্রি করা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ভোক্তাদের স্বস্তির কথা মাথায় রেখে, অতি শিগগিরই বাজার মনিটরিংয়ে রেখে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথাও বলেন তিনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here