আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন না পেলেও চসিক নির্বাচনে ভোট যুদ্ধে নামবে বলে ঘোষনা দিয়েছে একাধিক বর্তমান কাউন্সিলর৷আজ দক্ষিন কাট্টলী ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দিয়েছেন৷
আজ (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে প্রথমে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরী নামক তার ফেসবুক আইডিতে একটি স্ট্যাটাসে পোস্ট করে এই ঘোষনা দেন তিনি৷ সেখানে লিখা হয়েছে –
আপনাদের সকলকে অত্যান্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আগামী চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে দক্ষিণ কাট্টলীবাসীর দাবীর মুখে, দক্ষিণ কাট্টলীর উন্নয়নের স্বার্থে এবং দক্ষিণ কাট্টলীর উন্নয়নের ধারা অব্যাহৃত রাখতে আমি আবারো দক্ষিণ কাট্টলী সর্বদলীয় নাগরিক সমাজের পক্ষে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছি।
এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে মোরশেদ আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সিপ্লাসকে জানান, এলাকার সর্বস্থরের নাগরিকদের দাবীর মুখে তিনি আসন্ন চসিক নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার স্বিদ্ধান্ত নিয়েছেন৷
তিনি বলেন, “আমার এতোদিনের সাজানো বাগান আমি কাউকে ছেড়ে দিতে পারিনা৷ আমার এলাকার জনসাধারণ আমাকে নির্বাচনে নেয়ার জোর দাবী জানিয়ে আসছে তাই স্বিদ্ধান্ত নিলাম।”
দলের মনোনীত প্রার্থীর বিপক্ষে দাঁড়ালে সাংগঠনিক খগড় নেমে আসবে কিনা জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতিকের বিরুদ্ধে নির্বাচন করছিনা৷ আমি আজীবন নৌকার পক্ষে ছিলাম এবং আসন্ন নির্বাচনে মেয়র মনোনীত নৌকার প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবো৷ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচন তাই এখানে দলীয় প্রতিকের ব্যবহার নেই বলে মনে করেন তিনি৷
এর আগে আওয়ামী লীগ থেকে মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে দাঁড়ানোর ঘোষনা দিয়েছিলেন সরাই পাড়া ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সাবের আহম্মেদ৷ ইতিমধ্যে মনোনয়ন বঞ্চিত একাধিক বর্তমান কাউন্সিলর নিজ নিজ ওয়ার্ডে ভোটে দাঁড়ানোর কথা ভাবছে বলে জানা গেছে৷ ঝামেলা এড়াতে অনেকে এই মূহুর্তে বিষয়টি ঘোষনা না দিলেও আগামী রবিবার থেকে জানা যাবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর তালিকায় কারা কারা থাকছেন৷ যদিও মনোনয়ন ঘোষনার দিন গণভবনে প্রবেশের সময় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী সকল প্রার্থীর কাছ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার পত্রে সাক্ষর নেয়া হয়েছিলো কিন্তু বিদ্রোহী অনেকের দাবী ঐ প্রত্যাহার পত্র আইনত ভাবে গ্রহণ যোগ্য নয়৷

