চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিভিন্ন অভিযোগে মনোনয়ন না পাওয়া একাধিক বর্তমান কাউন্সিলরের ফাইল চট্টগ্রাম দুদক কার্যালয়ে যাচাই বাছাই করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।
আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বর্তমান কাউন্সিলরদের মধ্যে অন্তত দুই জনের ফাইল দুদক পর্যালোচনা করছে বলে তথ্য পাওয়া গেলেও এই বিষয়ে এখনো মুখ খুলছে না দুর্ণীতি দমন কমিশনের চট্টগ্রাম কার্যালয় ৷
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা সিপ্লাসকে জানিয়েছেন, আজ দুপুর থেকেই দুদকের মেট্রো অঞ্চলে দুটি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলরের ফাইল এসে পৌচেঁছে৷ তাদের মধ্যে একজন পাহাড় দখল অপর জন হত্যা মামলার আসামী হিসেবে বেশ আলোচিত ছিলো৷ প্রথমজন দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী না হওয়ার ঘোষনা দিলেও অপরজন মনোনয়ন না পাওয়ার আভাস পেয়েই বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ার ঘোষনা দেয়৷ তবে এই অনুসন্ধানের সাথে বিদ্রোহী প্রার্থী বা দলের মনোনয়নের কোন সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছে সূত্রটি ৷
নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুদক সচিবালয়ের একসূত্র বলছে রাজধানীর দুদক কমিশনার কার্যালয় থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর থেকেই প্রাথমিক কাজ শুরু করে দিয়েছে দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়৷ এই বিষয়ে আইনের গতিতে চলার সবুজ সংকেত আজকালের মধ্যে পাওয়া গেলে আনুষ্ঠানিক নোটিশ প্রেরণ করা হবে৷
মূলত বিগত দিনে দ্বায়িত্বকালিন সময়ে একাধিক কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে মাদক, টেন্ডারবাজি, ভুমি-পাহাড় দখল সহ নানান অনিয়মের অভিযোগ এসেছে দুদক কার্যালয়ে৷ সাম্প্রতি চসিক নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিতদের বিরুদ্ধে একাধিক গোয়েন্দা প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে জমা হয়৷
এই বিষয়ে দুদকের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক মো. আকতার হোসেনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ মিটিং এ ব্যস্ত আছে বলে এসএমএস’র মাধ্যমে জানান৷ পরে এসএমএস এ এই বিষয়ে জানতে চেয়ে তাকে এসএমএস করা হয়েও এই প্রতিবেদন লিখা পর্যন্ত তার কোন জবাব আসেনি৷

