রোহিঙ্গাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার ঘটনার অভ্যন্তরীণ তদন্তে স্থায়ী কর্মকর্তা কারোর নাম আসেনি বলে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম জানিয়েছেন।
শনিবার নগরীর সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনের উপ-নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রোহিঙ্গাদের এনআইডি দেওয়ার তদন্ত নিয়ে জানতে চাইলে কবিতা খানম বলেন, “ডাটা এন্ট্রি অফিসার লেভেলের যারা আমাদের স্থায়ী কর্মচারী না তারা কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়েছেন, মামলাও হয়েছে, কিছু প্রমাণও পাওয়া গেছে। ডাটা এন্ট্রি অপারেটররা যেহেতু এসব কাজ করে এবং আমরা তাদের চিহ্নিত করতে পেরেছি।
“সবাই যে সম্পৃক্ত তা বলব না। তবে সব জায়গায় কিছু কিছু কর্মচারী থাকে যারা এসবের সাথে যুক্ত। এটা অলরেডি আইডেনডিফাইড। অনেক বড় টিম না হলে তাদের পক্ষে একা একা করা সম্ভব না। তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা কঠিন হবে না।’’
ইতিমধ্যে অনেক রোহিঙ্গা পাসপোর্ট নিয়েছে উল্লেখ করে কবিতা খানম বলেন, “আমরা একচুয়ালি খুঁজছি কোন জায়গা থেকে ঘটনাগুলো ঘটছে।”
চট্টগ্রাম-৮ আসনের নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, এটি উপ-নির্বাচন হলেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যতটুকু গুরুত্ব দেয়া হয় সেখানে ততটুকু মনোযোগ থাকবে।
“নির্বাচন নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে তাদের কাজের ডিজাইন করবেন নির্বাচন কমিশনও তাদের সেভাবে অনুমতি দেবে।”
আগামী ১৩ জানুয়ারি চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচনে ইভিএমে ভোট হবে।
কবিতা খানম বলেন, জনসাধারণকে সম্পৃক্ত করতে ওই এলাকায় মব ভোটের ব্যবস্থা করা হবে। যেসকল জায়গা জনবহুল সেখানে ইভিএমের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা পুলিশ মুপার নুরে আলম মিনাসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।








