ফটিকছড়ি প্রতিনিধি: ফটিকছড়িতে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা এবং ব্যপক বিস্তার রোধ কল্পে ও অধিকতর সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসেবে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে ১৩ প্রবেশপথে চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে। ফটিকছড়ি উপজেলায় প্রয়োজনে আরও বিভিন্ন জায়গাতে চেকপোষ্ট বাড়ানো হবে। বাংলাদেশ ত্বরিকত ফেডারেশন চেয়ারম্যান ফটিকছড়ি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর এ নির্দেশ দিয়েছেন। ফটিকছড়ি করোনাভাইরাস রোধ করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাথে ৩দিন আগে কথা বলে, ফটিকছড়ি ও ভূজপুর থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এই দূর্যোগের মুহুর্তে আমার সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগের মাধ্যমে ত্রান সহ প্রত্যেক ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহন করতেছেন। উপজেলা প্রশাসনের উদ্দ্যেগে যে চেকপোস্ট গুলো বসানো হয় ঐ চেকপোস্ট সমূহে আইনশৃংঙ্খলা বাহিণীর সদস্যদের পাশাপাশি মেয়র, চেয়ারম্যানগণের প্রতিনিধি, গ্রাম পুলিশ, স্বেচ্চাসেবক, মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষকগণ রেজিস্টার্ড খাতায় বাহির থেকে আগতদের নাম ঠিকানা লিপিবদ্ধ করবেন। উপজেলার ফটিকছড়ি থানার অংশে আছে আটটি প্রবেশপথ। এগুলো হচ্ছে- নাজিরহাট পৌরসভার ঝংকার নতুন ব্রিজ, টেকের দোকান নাজিরহাট-কাজিরহাট সড়ক, খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নয়াবাজার আর্মি ক্যাম্প, লক্ষ্মীছড়ি-কাঞ্চননগর সড়ক, রোসাংগিরি-ধলইঘাট, জাফতনগর ইউনিয়নের তকিরহাট বাজার, ধর্মপুর ইউনিয়নে রাউজান-ফটিকছড়ি সংযোগ সড়ক এবং সমিতিরহাট ইউনিয়নের দরগাহ রোড। উপজেলার ভুজপুর ইউনিয়নে পাঁচটি প্রবেশপথ। এগুলো হচ্ছে- বাগানবাজার ইউনিয়নের গার্ডের দোকান, দাঁতমারা ইউনিয়নের বালুটিলা বাজার, নারায়ণহাট ইউনিয়নের শ্বেতছড়া বাজার, নেপচুন বাজার এবং ভুজপুর ইউনিয়নের গাড়িটানা এলাকা। নাজিরহাট চেকপোস্ট পরিদর্শনে আসা ফটিকছড়ি থানার অফিসার্স ইনচার্জ বাবুল আকতার বলেন, মাননীয় সাংসদ আলহাজ্ব সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী মহোদয় নির্দেশে আমরা এত কষ্ট করছি শুধু এলাকাবাসির জন্য এবং করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে কিন্তু সাধারন জনসাধারনের মাঝে সচেতনতা খুব কম। অনেকই অনর্থক বাহিরে ঘুরাঘুরি করছেন। ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সায়েদুল আরেফিন বলেন, মাননীয় সাংসদ সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারীর নির্দেশে উপজেলায় প্রবেশ এবং বের হওয়া সীমিত করতে চেকপোস্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এছাড়া নারায়ণগঞ্জ, ঢাকাসহ এবং দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রচুর লোকজন ফটিকছড়িতে প্রবেশ করছে। অথচ এক এলাকার মানুষ অন্য এলাকায় যাবার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আছে। তাদের কারণে ফটিকছড়ি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকিতে পড়েছে। এজন্য চেকপোস্ট বসিয়ে প্রবেশপথ গুলোতে উপজেলা প্রশাসন কিছুটা কঠোর অবস্থান নিয়েছে।
উত্তর চট্টগ্রাম এমপির নির্দেশে ফটিকছড়িতে প্রবেশে ১৩ চেকপোস্ট








