ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফির জবানবন্দির ভিডিও করে ছড়িয়ে দেওয়ার মামলায় সোনাগাজী থানার সাবেক ওসি মোয়াজ্জেম হোসেনের সাজা হবে কি না- সেই প্রশ্নের উত্তর মিলবে ২৮ নভেম্বর।
বাংলাদেশ সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন ওই দিন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের এ মামলার রায় ঘোষণা করবেন।
বুধবার রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বিচারক রায়ের জন্য ২৮ নভেম্বর দিন ঠিক করে দেন।
গত ১৪ নভেম্বর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুযায়ী আত্মপক্ষ সমর্থন করে বক্তব্য দেন এ মামলার একমাত্র আসামি পুলিশ পরিদর্শক মোয়াজ্জেম হোসেন।
কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে তিনি সেদিন বিচারককে বলেন, “এই অভিযোগে যত বড় শাস্তিই দেন না কেন, তার চেয়ে বড় শাস্তি আমি পেয়ে গেছি।”
ওই দিনই এ মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য ২০ নভেম্বর দিন ধার্য করেছিলেন বিচারক।
সে অনুযায়ী বুধবার বিকালে রাষ্ট্রপক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু করেন এ আদালতের পিপি মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শামীম।
তিনি বলেন, “অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি বলে আমরা মনে করি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ২৬, ২৯ ও ৩১ ধারা অনুযায়ী আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি হবে বলে আমরা আশা করছি।”
আদালতের বিচারে অভিযোগ প্রমাণিত হলে ২৬ ধারা অনুযায়ী অনধিক পাঁচ বছর কারাদণ্ড অথবা অনধিক ৫ লাখ টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড, ২৯ ধারা অনুযায়ী অনধিক তিন বছর কারাদণ্ড অথবা অনধিক পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ড আর ৩১ ধারা অনুযায়ী অনধিক সাত বছর কারাদণ্ড অথবা অনধিক পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে পুলিশ কর্মকর্তা মোয়াজ্জেমের।








