Site icon CPLUSBD.COM

কক্সবাজারের চৌফলদন্ডীর শতাধিক পরিবার খোলা আকাশের নিচে!

সেলিম উদ্দীন,কক্সবাজার: কক্সবাজার সদরের চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের শতাধিক ভূমিহীন পরিবারের আড়াই শতাধিক নারী পুরুষ কোমলমতি শিক্ষার্থীরা বসবাস করছে খোলা আকাশের নিচে। ফলে চলমান বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন ভুক্তভোগীরা। আগামী বর্ষাকালে তাদের স্থান কোথায় হবে তাও জানেন না তারা। শিশু সন্তান নিয়ে চরম বিপাকে পড়ছে অভিভাবকরা।

দীর্ঘ বছরের ভোগ দখলীয় জমিতে ঘর বাড়ি নির্মানে করে বসবাস করে আসছিল এই ভূমিহীন পরিবার গুলো। কোন নোটিশ বা কথা না বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে উচ্ছেদ করে দেওয়ায় আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে উক্ত ইউনিয়নের শতাধিক পরিবারের আড়াই শতাধিক মানুষ। বেআইনী ভাবে ঘর বাড়ি উচ্ছেদ করে দেওয়ার ঘটনায় সুষ্ঠু বিচার ও আশ্রয় চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বরাবর আবেদন করেছে ভুক্তভোগীরা।

আবেদনে উল্লেখ করেন তারা প্রকৃত নদী ভাঙা এলাকার বাসিন্দা, ভূমিহীন, তাদের নিজস্ব কোন জায়গা জমি নেই,বলতে গেলেই যাযাবর। এমন পরিস্থিতিতে চৌফলদন্ডীর পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন খুরুস্কুল তেতৈয়া মৌজার ঝাউবাগান সংলগ্ন পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওয়াপদা বেড়িবাঁধের জমির চরে ভাসমান ঘর বাড়ী নির্মান করে স্ব পরিবারে বসবাস করে আসছিল শতাধিক পরিবার। গত জানুয়ারি মাসে তীব্র শীতে কোন নোটিশ ও কথা ছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের লোকজন এসে ঘর বাড়ি উচ্ছেদ ও ভাংচুর করে চলে যায়। সে সময় তাদের লাখ লাখ টাকার ক্ষতি সাধন হয়। তিন মাস ধরে এই শতাধিক পরিবারের আড়াই শতাধিক নারী শিশু পুরুষ খোলা আকাশের নিচে বসবাস করে মানবেতর জীবন যাপন করে আসছে।

ভূমিহীন রমজান, মোজাম্মেল হোছাইন মোঃ ডালিম আবুল বশর, হাকিম আলীসহ আরো অনেকেই জানান, তারা প্রকৃত ভূমিহীন, ধন সম্পদ বলতে তাদের কিছু নেই। সবাই দিন মজুর, শ্রমিক দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষ। এমন সময়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড তাদের শেষ সম্বল টুকুও কেড়ে নিয়েছে।

তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জন দরদী, গরীব বান্ধব সরকারের প্রধান জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে আশ্রয় হিসেবে সামান্য টুকু জমি ভিক্ষা চান।

তবে এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ড কক্সবাজারের কারো বক্তব্য না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।