কক্সবাজার প্রতিনিধি: মৌসুমের প্রথম বৃষ্টিতে ময়লার ভাগাড়ে পরিনত হয়েছে কক্সবাজার শহর এলাকা।
পৌর এলাকার বেশির ভাগ সড়কে গাড়ীতো দূরের কথা পায়ে হেটেও চলাচল করা অসম্ভব হয়ে উঠেছে। এতে বিশেষ প্রয়োজনে রাস্তায় বের হওয়া মানুষজন চরম বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখা গেছে। আবার অনেক মহিলা প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হলেও রাস্তার অবস্থা দেখে আবার বাড়িতে ফেরত গেছে বলে জানা গেছে।
পৌরবাসীর দাবী দীর্ঘদিন ধরে নাগরিকরা আশংকা করে আসছিল বর্ষার বৃষ্টি শুরু হতেই নাগরিক দূর্ভোগ বাড়বে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিলেও কেও কানে তুলেনি কোন কথা।
শহরের টেকপাড়া এলাকার আলী বলেন,সোমবার ফজরের নামাজের পরে শুরু হওয়া মৌসুমের প্রথম বৃস্টিতে এলাকার অবস্থা নাকাল হয়ে গেছে। প্রতিটি রাস্তায় হাটু পরিমান কাদা। এতে গাড়ী চলাচলতো দূরের কথা পায়ে হেটে পার হওয়া ও কঠিন হয়ে গেছে। এমন কোন রাস্তা নেই যেখানে ময়লা আবর্জনা নাই। মনে হচ্ছে আমরা কোন আদিম যুগে চলে আসছি।
বার্মিজ মার্কেট রোড়ের নাজিম বলেন,আগে থেকেই জানতাম বৃষ্টি হলে রাস্তাঘাটের অবস্থা খারাপ হয়ে যাবে তাই সকাল থেকে বাড়ি থেকেই বের হয়নি। পরে বিকালে জরুরী প্রয়োজনে বড় বাজার থেকে আসতে ৪০ টাকা রিক্সা ভাড়া দিতে হয়েছে তার পরও অনেক বিরক্তি নিয়ে থাকতে হচ্ছে।
তিনি জানান আমাদের এলাকার রাস্তার নালাটি কুড়েছে প্রায় ৬ মাস। এখনো পর্যন্ত কাজ শেষ করতে পারেনি। এদিকে পেশকার পাড়া এলাকার রহিম বলেন, ৮ মাস আগে যে নালা করা হয়েছিল এখন সে সব নালাতে মাটি ভরাট হয়ে গেছে তাই সেগুলো ঠিকমত কাজ করেনা। আর সব চেয়ে বড় কথা হচ্ছে কাজ করার সময় শ্রমিকদের কিছু নির্দেশনা দিলেও তারা কিছুই শুনেনি ফলে এখন ভোগান্তি পোহাচ্ছি আমরা।
বাহারছড়া এলাকার জসিম বলেন,একটা পৌর এলাকা এতটা খারাপ হতে পারে সেটা কক্সবাজারে না আসলে কেউ বুঝতে পারবেনা। মানছি উন্নয়ন কাজ চলছে তবে এভাবে চরম সমন্বয় হীনতা ছাড়া কিভাবে কাজ করতে পারে। সকাল থেকে রাস্তায় বের হতে পারছিনা পানি এবং ময়লার জন্য। সামান্য বৃষ্টিতেই এ্ই অবস্থা জানিনা সামনে বর্ষা মৌসুমে কি হবে ? এদিকে কক্সবাজারের উপ সড়ক গুলোতে আছেই প্রধান সড়কের অবস্থা আরো বেশামাল শহরের রুমালিয়ারছড়া থেকে শুরু করে বাজার ঘাটা পর্যন্ত যে কোন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পরিণত হয়েছে। জানিনা এর সমাধান কি ? কেউ কারো কথা শুনছেনা মাঝখানে আমরা সাধারণ মানুষ কষ্ট পাচ্ছি।
এ ব্যপারে কক্সবাজার পৌরসভার প্যানেল মেয়র হেলাল উদ্দিন কবির বলেন,পৌরএলাকা উন্নয়ন কাজের জন্য সাময়িক অসুবিধা হচ্ছে এটা আমরা জানি। তবে কাজ শেষ হলে মানুষ উপকার পাবে।








