চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনের বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁহতে পুরনো ব্যাচের প্রশ্নপত্র দিয়ে একঘণ্টা পরীক্ষা দিতে হয়েছে ২২ জন পরীক্ষার্থীকে।
কেন্দ্র নং-৪ ঈদগাঁহ জাহানারা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এই ঘটনায় ওই ২২ পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকেরা ফলাফল নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন।
ঈদগাঁহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা খুরশিদুল জন্নাত এই তথ্য জানিয়েছেন।
তবে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সেলিম উদ্দীন জানিয়েছেন, বিষয়টি তাৎক্ষণিক বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং এই বিষয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষ আলাদা বিবেচনা করবেন বলে আশস্থ করেছেন।
ছাত্রদের উদ্ধৃতি দিয়ে খুরশিদুল জন্নাত জানান, কেন্দ্র নং-৪ ঈদগাঁহ জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ঈদগাঁহ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৮জন ও ঈদগাঁহ আদর্শ শিক্ষা নিকেতনের ৩ জনসহ ২২ পরীক্ষার্থীকে ২০১৮ সালের ব্যাচের (ওল্ড ব্যাচ) নৈর্বত্তিক প্রশ্ন দেয়া হয়। কিন্তু বিষয়টি বুঝতে না পেরে তারা নৈর্বত্তিক প্রশ্নপত্র পূরণ করে ফেলে। পরে রচনামূলক অংশেও তাদের দেয়া হয় একইভাবে ২০১৮ সালের ব্যাচের প্রশ্ন। বিষয়টি তারা আঁচ করতে পারেন। তবে ততক্ষণে আধাঘণ্টা পার হয়ে যায়।
একপর্যায়ে পরীক্ষার্থীরা বিষয়টি দায়িত্ব শিক্ষককে জানালে তা নজরে আসে। পরে তাদেরকে রচনামূলক প্রশ্ন বদলে দেয়া হয়। তবে নৈর্বত্তিক এবং রচনামূলক অংশের আধাঘন্টার সময়ের কোনো বিহিত ব্যবস্থা করা হয়নি। এর ফলে পূর্ণমান প্রশ্নোত্তর দিতে পারেনি এসব শিক্ষার্থীরা। এই নিয়ে তাদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সেলিম উদ্দীন বলেন, প্রশ্নপত্র বিলি করতে গিয়ে শুধুমাত্র নৈর্বত্তিক অংশটা পুরনো প্রশ্নপত্রটা দেয়া হয়েছে। শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েকজন পরীক্ষার্থীর মধ্যে কথোপকথনে ভুলে এই সমস্যা হয়েছে। তবে বিষয়টি সাথে সাথে শিক্ষা বোর্ড কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বোর্ডের নির্দেশনা মোতাবেক ওইসব খাতাগুলো আলাদা করে পাঠানো হয়েছে। ওই খাতাগুলো আলাদাভাবে বিবেচনা করবেন বোর্ড কর্তৃপক্ষ আশ্বস্থ করেছেন। তাই ওইসব পরীক্ষার্থীদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছুই নেই।
এই বিষয়ে জানতে মুঠোফোনে বার বার যোগাযোগ করা হলেও কল না ধরায় কেন্দ্র সচিবের বক্তব্য জানা যায়নি।








