Site icon CPLUSBD.COM

কঙ্গোতে আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণে ১৫ জনের মৃত্যু

সিপ্লাস ডেস্ক: আফ্রিকার দেশ ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআর কঙ্গো) নাইরাগঙ্গো আগ্নেয়গিরি বিস্ফোরণে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এখনো অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন।
রোববার (২৩ মে) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোমা থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে নাইরাগঙ্গো পর্বতে এ আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ঘটে।
এসময় নিহতদের মধ্যে ভয় পেয়ে পেয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় ৯ জন, কারাগার থেকে পালানোর সময় ৪ জন এবং ২ জন লাভার আগুনে দগ্ধ হয়ে মারা গেছেন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য মতে, ২০ লাখ বাসিন্দার শহরটির রাতের আকাশ নাইরাগঙ্গোর আগুনে লাল রং ধারণ করে। জ্বলন্ত লাভার বিস্ফোরণে দূর-দূরান্তে গিয়ে পড়ছে আগুনের ফুলকি। উত্তপ্ত লাভার ঢলের আতঙ্কে প্রাণ বাঁচাতে শহর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন স্থানীয়রা। বহু মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। এর মধ্যে বহুতল ভবনও রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পুনর্বাসনে কয়েক মাস সময় লেগে যেতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্টের খবরে বলা হয়েছে, রোববার রাতে দেশটির সরকারি মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়া বলেছিলেন, ন্যারাগঙ্গো পর্বতের বিস্ফোরণে দুজন পুড়ে গেছে, ৯ জন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে একটি ট্র্যাফিক দুর্ঘটনায় মারা যান এবং তাদের কক্ষ থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ৪ বন্দিকেও হত্যা করা হয়েছিল।
তিনি বলেছিলেন, গোমার শহরতলিসহ আগ্নেয়গিরির আশেপাশের ১টি গ্রামে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আন্তর্জাতিক শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) বলছে, ১৭০টি শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ১৫০ শিশুকে তাদের পরিবার থেকে আলাদা জায়গায় রাখা হয়েছে।
এর আগে ২০০২ সালে গোমা শহরের নিকটবর্তী এই আগ্নেয়গিরিটির বিস্ফোরণ ঘটে। সেবার ২৫০ জনের মৃত্যু হয় এবং এক লাখ ২০ হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে যায়।
গোমায় কর্মরত রুয়ান্ডার বাসিন্দা রোগী ইরাগুহা বলেছেন, শহরের উত্তরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সাথে যারা আমাদের ছাদ থেকে বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে লাভাটির পথটি দেখতে পাচ্ছিল তাদের সবার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।