নিউজটি শেয়ার করুন

কচ্ছপিয়াতে বনায়নের গাছ ও পাহাড় কেটে বাড়ি নির্মান

রামু প্রতিনিধি: রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের পূর্ব নতুন তিতার পাড়ার আলোচিত পাহাড় খেকো বনভূমি দখলকারী, মৃত মোঃ কালুর ছেলে, নুরুল হক, সরকারী সামাজিক বনায়নের গাছ ও পাহাড় কেটে রাতারাতি বাড়ি নির্মান করতেছে।

সোমবার ( ২৯ জুন)বিকেলে ওই এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নুরুলসহ ৫/৬ জন শ্রমিক সরকারী বাগান ও পাহাড় কেটে বাড়ির অধিকাংশ কাজ শেষ করেছে। বাকী আছে উপরের ছাউনীর কাজ।

স্থানীয়রা বলছে, দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা না গেলে, বিশাল বনায়ন ও পাহাড় রক্ষা করা কঠিন হবে। সচেতন মহলের অভিযোগ এর দেখাদেখি স্থানীয় অনেকে বনভূমি দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। উজাড় করছে বনের গাছপালা ফলে ধ্বংস হচ্ছে জীববৈচিত্র। পরিবেশের এই বিপণ্নতা নিয়ে বন বিভাগ একেবারেই উদাসীন।

জানতে চাইলে ঘর নির্মাণ কাজের শ্রমিকরা বলেন, তারা গত ৫/৫ দিন ধরে বাড়ি নির্মাণের কাজ করছে। বনভূমির জায়গায় ঘর নির্মাণ কেমনে সম্ভব বা এটি পরিবেশ আইনের প্রতিকূল সিদ্ধান্ত, কার বা কাদের ইন্দনে এমন ঘর নির্মাণ হচ্ছে; এমন প্রশ্নের জবাবে নির্মাণ শ্রমিকরা জানান, আমরা এতো কিছু বু্ঝন্, কাজের বিনিময়ে টাকা উপার্জন করে আমরা সংসার চালায় তবে যতটুকু জানি স্থানীয় মিয়ার (বনবিট কর্মকর্তা) সঙ্গে কথা বলেই ঘরটি তৈরী করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মৌলভিকাটা বনবিট কর্মকর্তা শেখ মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘বনভূমির বিষয়ে কোন আপোষ নেই। এই ঘর অতি শিগগিরই উচ্ছেদে করা হবে এবং উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। আমি সরকারী বন রক্ষার কাজে জিরো ট্রলারেন্স বলে জানান’।

কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাকখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা আতা এলাহী বলেন, বনভূমিতে তৈরীকৃত ঘর উচ্ছেদেধ করা হবে। তিনি এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিট কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানান’।