রামু প্রতিনিধি: রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নে নতুন তিতার পাড়াতে সরকারী বন বিভাগের জায়গা দখল করে তৈরি করা হচ্ছে অবৈধ দোকান ঘর। এর দেখাদেখি স্থানীয় অনেকে আরও বনভূমি দখলের প্রস্তুতি নিচ্ছে। এতে পাহাড় নিধনের পাশাপাশি, উজাড় করছে বনের গাছপালা। পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যও ধ্বংস হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে- কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাঁকখালী রেঞ্জের আওতাধিন কচ্ছপিয়ার নতুন তিতারপাড়ার শুকমনিয়া মুরা পাড়া এলাকার মৃত পিয়ার মোহাম্মদের পুত্র ছৈয়দ আহাম্মদ সরকারী বনবিভাগের জায়গা দখল করে দোকান ঘর নির্মাণের কাজ পুরোদমে চলছে।
জানতে চাইলে দোকান ঘর নির্মাণ কাজের শ্রমিকরা বলেন- তারা ওই ছৈয়দ আলমের নেতৃত্বে গত দুদিন ধরে ৩/৪ জন শ্রমিক দোকান ঘরটি নির্মাণের কাজ চালাচ্ছে।
স্থানীয় আশুসহ অনেকে জানান,- গ্রামের কতিপয় প্রভাবশালীদের মদদসহ বন বিভাগ ও সরকারী খাস জায়গায় ওইসব অবৈধ এই ঘর নির্মাণ হয়। এটিও তার ব্যতিক্রম নয় বলে দাবী করেন স্থানীয়রা।
এ ব্যাপারে অভিযোগক্ত ছৈয়দ আলমের ছেলে ইব্রাহীম বলেন, ওইটি বনভূমির জায়গা সেটা ঠিক আছে। তাদের ওই জায়গাতে দোকান ঘর করতে কারোও অনুমতির দরকার নাই বলেও জানান।
কচ্ছপিয়া বিটকর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন- বনভূমির বিষয়ে কোন ছাড় নেই। ওইসব দোকান ঘর উচ্ছেদে অভিযান চলবে।
কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের বাকখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা সরওয়ার আলম বলেন ‘রামুতে বনভূমিতে তৈরী করা ঘর ইতিমধ্যে বেশকয়টি উচ্ছেদ করা হয়েছে। সব অবৈধ ঘর পর্যাক্রমে উচ্ছেদ করা হবে।’

