নিউজটি শেয়ার করুন

কন্যার সামনে প্রকাশ্যে মারধরের শিকার হয়ে পিতার মৃত্যু

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও মাইজপাড়া এলাকায় কন্যার সামনে প্রকাশ্য দিবালোকে সংজ্ঞবদ্ধভাবে বেধড়ক মারধরের শিকার হয়ে গুরুতর আহত পিতা মঞ্জুর আলম মারা গেছেন। তিনি একজন প্রবাসী।

শুক্রবার (২১ মে) এ ঘটনার পর শনিবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি মারা যান।

স্ত্রীসহ শ্বশুর বাড়ির লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

জানা গেছে, ঈদগাঁও থানাধীন কালিরছড়া গ্রামের মৃত আব্দুল গনির ছেলে মঞ্জুর আলম (৪৫) দীর্ঘদিন প্রবাসী ছিলেন। প্রবাস জীবনে যা আয় করেছেন তা বাংলাদেশে অবস্থানরত তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী রুনা আক্তারের নামে পাঠাতেন। তাঁর স্ত্রী নিজের নামে কিনেছেন জমি। আর সেখানেই বানিয়েছেন বহুতল ভবনও। সম্প্রতি করোনা পরিস্থিতির কারণে ছুটিতে আসার পর আর বিদেশ যাওয়া হয়নি মঞ্জুর আলমের। এরই মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে পারিবারিক কলহ দেখা দেয়। স্বামীর সাথে দুরুত্ব বাড়াতে থাকেন স্ত্রী রুনা। একপর্যায়ে শুক্রবার বাবা, মা, ভাই বোনসহ সবাই মিলে দিন দুপুরে মঞ্জুর আলমকে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে নির্দয়ভাবে মারধর করে।

এসময় একজন প্রত্যক্ষদর্শী উক্ত মারধর এর ঘটনার ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করলে বিষয়টি জেলা পুলিশের নজরে আসে। তাৎক্ষনিক ঈদগাঁও থানা পুলিশের একটি চৌকষ টিম তাঁর স্ত্রীসহ উক্ত ঘটনার সাথে জড়িৎ সকলকে গ্রেফতার করে।

এদিকে মুমূর্ষ অবস্থায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মঞ্জুর আলম শনিবার দুপুরে মারা যান।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে জানিয়ে ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল হালিম বলেন, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে আক্রান্ত ব্যাক্তির শ্বশুরবাড়ির লোকজন এঘটনা ঘটিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জেনেছি। জড়িতদের চিহ্নিত করে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।