প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ভবনের দরজা বন্ধ রাখা হতে পারে। এছাড়া ঘরে বসেই এমপি ও লর্ডসরা ভোট দিতে পারেন। আর স্কাইপের মাধ্যমে বিতর্কের আয়োজন করা হতে পারে।
হাউস কমন্সের স্পিকার স্যার লিন্ডসে হোইলি ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন। এতে তারা ভাইরাসের বিস্তার প্রখর হয়ে পড়লে কী পরিকল্পনা নেবেন, সেই আলোচনা করেন।
এর আগে ভিডিও লিংকের মাধ্যমে বিতর্কের আয়োজনের পরামর্শ দিয়েছেন এমপিরা। এমপিদের যাতে ওয়েস্টমিনিস্টারে যেতে না হয়, সেজন্য ইলেক্ট্রনিক ভোটের আয়োজনের কথাও বলেন তারা।
হাউস অব লর্ডসের সদস্যরাও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন এমন আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। যাদের গড় বয়স ৭০ বছর করে। আর শতাধিক পিয়ারর্সের বয়স আশি বছরের বেশি।
বয়স্ক লোকদের জন্য ভাইরাসটি বেশি বিপজ্জনক বলেই মনে করা হচ্ছে। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নপর্বে এসএনপির ক্যারোল মোনাগান বলেন, নিজেদের আসন থেকে এই পার্লামেন্টেই কোভিড-১৯ ভাইরাসটি নিয়ে আসতে পারেন এমপিরা।
তিনি জানান, প্রতি সপ্তাহে ছয়শ ৫০ জন ব্রিটেনের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এখানে এসে জড়ো হই। কয়েকদিন এখানে কাটাই। এসময় নিজেদের মধ্যে সংস্পর্শ ঘটাও স্বাভাবিক। এরপর আবার সবাই যার যার আসনে চলে যাই। কাজেই যে কেউ বাহক হয়ে ভাইরাসটি পার্লামেন্টে নিয়ে আসতে পারেন।
জবাবে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্য সচিব আগামী কয়েকদিনে এ বিষয়ে কথা বলবেন। তখন বলা যাবে করোনাভাইরাস আগমনকে সামনে রেখে আমরা কী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছি।








