Site icon CPLUSBD.COM

করোনার নমুনা সংগ্রহের নামে প্রতারণা, উত্তর কাট্টলী থেকে আটক ৪

সিপ্লাস প্রতিবেদক: পিপিই পড়ে মানুষের বাসায় গিয়ে কোভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহের নামে প্রতারণার অভিযোগে নগরীর উত্তর কাট্টলী থেকে তিন কিশোরসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার আকবর শাহ থানার উত্তর কাট্টলী এলাকার ঈশান মহাজন সড়কের একটি ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক হওয়াদের মধ্যে তিনজন কিশোর ও অন্যজনের নাম আকিব হাসান স্বাধীন (২১)। আটক হওয়া কিশোররা স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষার্থী।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী) আরিফ হোসেন জানান, আটক তিন কিশোর পিপিই, ফেইস শিল্ড পড়ে নুর মোহাম্মদ ভবনে কোভিড-১৯ এর নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়েছিল।

“স্থানীয় লোকজন তাদের আটকে পুলিশে খবর দিলে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়। আটক হওয়া কিশোররা জানিয়েছে, সুমন নামে এক ব্যক্তি তাদের নমুনা সংগ্রহের জন্য নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সুমন পলাতক আছে।”

যে বাসায় তারা নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়েছিল, সেই গৃহকর্তা আইনজীবী আব্দুর রহমান রাহীল জানান, নমুনা সংগ্রহের সময় তারা নিজেদের ‘বিআইটিআইডি’র লোক পরিচয় দেয়।

“আমরা তাৎক্ষণিকভাবে বিআইটিআইডি’তে যোগাযোগ করি। সেখান থেকে বলা হয়, তাদের কোনো লোক বাসায় গিয়ে নমুনা পরীক্ষা করছে না। তখন আমাদের প্রতিবেশীরাও এগিয়ে এসে তাদের প্রশ্ন করলে তারা স্বাধীন নামে একজন তাদের এই কাজ করতে পাঠিয়েছে বলে জানায়।

“তখন স্বাধীনকে টেলিফোনে ডেকে আনার কথা বললে সে এসে তাদের ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। আমরা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ তাদের থানায় নিয়ে যায়।”

আকবর শাহ থানার ওসি জহির হোসেন জানান, আটক কিশোরদের গলায় বাংলাদেশ সায়েন্স অ্যান্ড ল্যাবরেটরি টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউট নামে একটি প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র ছিল। যেটির ঠিকানা ছিল ফৌজদারহাট এলাকায়। যাচাই করে এই নামে ফৌজদারহাটে কোনো প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

তিনি বলেন, “আটক হওয়ারা জানিয়েছে, বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করার নামে জনপ্রতি ১০০ টাকা করে সংগ্রহ করার জন্য বলা হয়েছিল। সুমন নামে এক ব্যক্তি তাদের এই কাজ দিয়েছে।”

তাদের জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি প্রতারণার মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি জহির।