সিপ্লাস প্রতিবেদ: চট্টগ্রাম শহরে ইতিমধ্যে একাধিক করোনা আক্রান্ত রোগীর সন্ধান পাওয়ার পর নগরবাসীর বৃহৎ স্বার্থে গতকাল (০৬ এপ্রিল) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত নগরীর ঔষুধের দোকান ছাড়া সকল প্রকার দোকান, মার্কেট এমনকি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির দোকান ও বন্ধ থাকার নির্দেশ দেয় সিএমপি কমিশনার৷ যারা এই নির্দেশ মানবেনা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানানো হয়৷
এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে আজ থেকে নগরীর অলি গলিতে পুলিশি টহল আরো জোরদার করা হয়েছে৷ সন্ধ্যার পর থেকে পুলিশের সাড়াশি টহলে থানার ওসি সহ থানার সকল অফিসাররা অংশ নিচ্ছে৷ ওষধের দোকান ছাড়া সব দোকান বন্ধের পাশাপাশি অলি গলির ভেতরে যে কোন প্রকার জটলা দেখা মাত্র একশনে নামছে পুলিশ সদস্যরা৷
সরেজমিন কোতোয়ালী থানাধিন এলাকা ঘুরে পুরো এলাকার রাস্তা ও অলি গলি একদম জনশূন্য দেখা গেছে৷ থানার ওসি মোহাম্মদ মহসিন তার টিম নিয়ে পায়ে হেটে টহলে অংশ নিচ্ছেন৷ এসময় তিনি হ্যান্ড মাইকে এলাকাবাসিকে ঘরে থাকার আহবান জানান৷ সেই সাথে তার মুঠোফোন নাম্বার উল্লেখ করে যে কোন সেবার জন্যে যোগাযোগের অনুরোধ জানান৷ প্রয়োজনীয় সামগ্রী, ওষধ ঘরে পৌছে দেয়া হবে বলে এলালাবাসিকে জানান ওসি মহসিন৷
১৯ নং বাকলিয়া ওয়ার্ডের ঘুরেও একই দৃশ্যের দেখা মিলেছে৷ এসময় টহল গাড়ীতে করে বাকলিয়া থানার ওসি নিজাম উদ্দিন মাইকে এলাকাবাসিকে করোনা ভাইরাস সংক্রামন থেকে বাঁচতে হাত ধোয়া সহ বিভিন্ন জনসচেতনা মূলক প্রচারনা চালাতে দেখা যায়৷ সেই সাথে বাকলিয়া বাসিকে নিজ নিজ ঘরে থাকার অনুরোধ জানান তিনি৷
এই বিষয়ে সিএমপি দক্ষিন জোনের অতিরিক্ত উপ কমিশনার আব্দুর রউফ সিপ্লাসকে জানান, সিএমপি কমিশনারের নির্দেশনা অনুযায়ী সন্ধ্যার পর থেকে ঔষধ ছাড়া সব ধরণের দোকান বন্ধ রাখা হয়েছে৷ দুই একটি দোকান খোলা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ সেগুলো বন্ধ করে দিচ্ছে৷ এলাকার অলি গলিতে কাউকে কোন প্রকার আড্ডা না দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে তিনি জানান, আমরা এখনো নগর বাসিকে অনুরোধ জানিয়ে যাচ্ছি৷ ইতিমধ্যে বেশীরভাগ নগরবাসী সচেতন ভাবে ঘরে অবস্থান করলেও কিছু কিছু এলাকায় বা পাড়া মহল্লায় বিচ্ছিন্ন ভাবে লোকজন আড্ডা দেয়ার অভিযোগ আমরা পাচ্ছি৷ তাৎক্ষনিক থানার একাধিক টিম সেই স্থান গুলোতে অভিযানে নামলে তারা ঘরে ঢুকে যাচ্ছে৷ হয়তো তারা ভাবছে পুলিশকে ফাঁকি দিচ্ছে কিন্তু করোনা ভাইরাসের সংক্রামনকে কিন্তু ফাঁকি দেয়া যাবে না৷ তাই এসব আড্ডা বন্ধে প্রয়োজন কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান এডিসি রউফ৷








