সিপ্লাস ডেস্ক: সোমবার (১৩ এপ্রিল) বছরের শেষ অর্থাৎ চৈত্রের শেষ দিন। দিনের সূর্য অস্তমিত হওয়ার মধ্য দিয়ে বিদায় নেবে ১৪২৬ বঙ্গাব্দ। বর্ষবিদায় নেওয়ার এ দিনটিকেই বলা হয় চৈত্র সংক্রান্তি।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ-নববর্ষ ১৪২৭ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন। করোনা আতঙ্কে মলিন হয়ে গেছে বাঙালির সমস্ত আয়োজন। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পক্ষ থেকে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কোন ধরনের অনুষ্ঠান বা জনসমাগম না করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
চৈত্র সংক্রান্তিতে দেশজুড়ে আনন্দের বন্যা বয়ে যেত। পাড়ায় পাড়ায় নানা রকম খেলার আয়োজন করা হতো। শহর-গ্রামে বসতো মেলা। এদিনে ১০৮ ধরনের সবজি দিয়ে পাঁচন (আঞ্চলিক ভাষায় ‘আডোরা’) রান্না করার নিয়ম থাকলেও (লকডাউনের) জন্য স্বল্প সময়ে বসা বাজার থেকে কয়েক পদের সবজি কিনেই সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে।
চৈত্র সংক্রান্তিতে চড়ক পূজা, ক্ষেত্রপাল পূজা, জলকেলির আয়োজনও স্থগিত করেছেন আয়োজকরা। বছরের প্রথম দিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হালখাতা খোলার আয়োজন করা হয়েছে সীমিত। হবে না মিষ্টিমুখও।
প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস প্রতিরোধের প্রক্রিয়া হিসেবে সারাদেশে তীর্থযাত্রাসহ সব ধরনের ধর্মীয়, রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে কনফারেন্সে মাঠ পর্যায়ের প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়ে বলা হয়, সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ। ধর্মীয় বা অন্য যে কোনো ধরনের জমায়েত বন্ধ। এটা কঠোরভাবে নিশ্চিত করতে হবে।
সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান জানান, করোনাভাইরাস রোধে জনসমাগম হয় এমন কোনো অনুষ্ঠান করা থেকে বিরত থাকতে সবাইকে অনুরোধ করা হয়েছে। জনসমাগম হলে সংক্রমণের আশঙ্কা থাকে। এজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।








