Site icon CPLUSBD.COM

করোনা আতঙ্ক ও মশার উপদ্রবে নাকাল নগরবাসী (ভিডিওসহ)

জিয়াউল হক ইমন: একদিকে করোনা আতঙ্ক অন্যদিকে মশার উপদ্রব- দুয়ে মিলে নাকাল বন্দরনগরী চট্টগ্রামের লোকজন । দিনরাত মশার কামড়ে অস্থির নগরবাসী করোনার সাথে সাথে ডেঙ্গুর ঝুঁকির মধ্যে আছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে মশার উপদ্রব রুখতে সিটি করপোরেশনের ভূমিকা নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন । আবার কেউ কেউ সিডিএ’র জলাবদ্ধতা প্রকল্পের কাজ থমকে যাওয়াকে মনে করছেন মশার উৎপত্তির অন্যতম কারণ। তবে চসিক মেয়র বলছেন, আগামী সাত দিনের মধ্যে মশক নিধন দৃশ্যমাণ হবে।

শনিবার রাতে বহদ্দারহাট সহ বিভিন্ন জায়গায় দেখা যায় মশার জ্বালায় অতীষ্ট নগরবাসী।

তালেব নামে এক নগরবাসী জানান,উই পোকার চেয়ে নগরীতে এখন মশা বেশী।মশার জ্বালায় বাঁচা দায়।তিনি আরো বলেন মেয়র সাহেব সব সময় ক্রাশ প্রোগামের কথা বললেও কে শোনে কার কথা।

কয়েকজন নগরবাসী সিপ্লাসকে জানান, করোনার চেয়েও মশার আতঙ্ক বেশী আমাদের মাঝে।করোনা মশার মতো জ্বালায় না।সেটাতো সর্তক,সচেতনতা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখলে হয়েতা বাঁচা যাবে, কিন্তু মশার কামড়ে কোন সময় ডেঙ্গু হয়ে যায় সেটার ভয়ে আছি।

চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বী জানান, করোনার প্রতিরোধের পাশাপাশি মশার কামড় থেকে বাঁচতে প্রয়োজনে দিনের বেলায়ও মশারি ব্যবহার করা উচিত।পাশাপাশি সবাইকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। অন্যথায় করোনা মোকাবেলার চেয়ে ডেঙ্গু মোকাবেলা কঠিন হয়ে পড়বে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন সিপ্লাসকে জানান, যতদিন নগরীর জমে থাকা পানিগুলো অপসারণ হচ্ছেনা ততদিন এই সমস্যা থাকবে।ইতিমধ্যে জলাবদ্ধতা প্রকল্পে দায়িত্ব প্রাপ্ত সেনাবাহিনী অফিসারদের সাথে কথাও বলেছি। তারপরও মশক নিধনে ক্রাশ প্রোগ্রামসহ বিকল্প ব্যবস্থা চালু আছে। চসিক মেয়র আগামী সাতদিনের মধ্যে মশক নিধন দৃশ্যমাণ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিস্তারিত জানার জন্য নিউজে প্রদত্ত ভিডিও লিঙ্কটিতে প্রবেশ করুন।