নিউজটি শেয়ার করুন

করোনা ঝুঁকিতে কারখানা চালাচ্ছে ইস্পাহানী গ্রুপ ; শবে বরাতের দিনেও কাজে বাধ্য করার অভিযোগ

কামরুজ্জামান রনি: সারাদেশ যখন করোনা আতংকে অস্থির, করোনা সংক্রামন থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে সরকার যখন সব কিছু কার্যত বন্ধ রেখেছে। তখন নগরীতে এম এম ইস্পাহানীর মতন বড় গ্রুপ অব কোম্পানী চালু রেখেছে তাদের পাহাড়তলী টেক্সটাইল এন্ড হোসিয়ারী মিলস।

এই কারখানা খোলা রাখার তথ্য প্রমান সিপ্লাস টিভির হাতে এসেছে। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষেরও দাবী তাদের কাছে কারখানা খোলা রাখার অনুমতি আছে।

গত কয়েকদিন যাবৎ সিপ্লাসে’র কাছে তথ্য আসতে থাকে এই কারখানায় চাকুরী থেকে ছাটাইয়ের ভয় দেখিয়ে ইস্পাহানী মালিক কর্তৃপক্ষ তাদের সব কারখানা চালু রেখেছে৷ গতকাল এই কারখানার কাছে অলংকার এলাকায় একজন গার্মেন্টস কর্মী করোনায় আক্রান্ত হলে ইস্পাহানী গ্রুপের বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকদের মাঝে আতংক দেখা দেয়৷ চাকুরী হারানোর ভয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শ্রমিক সিপ্লাসের কাছে এসব অভিযোগ জানান এবং প্রমান হিসেবে গোপনে ধারণ করা ভিডিও সিপ্লাস টিভিকে দিয়ে তাদের জীবন রক্ষার আকুতি জানায়৷

এতোদিন কারখানা চালু রাখার কথা স্বীকার করেছেন ইস্পাহানী গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান পাহাড়তলী টেক্সটাইল এন্ড হোসেয়ারী মিলসের চীফ অপারেশন অফিসার মাহবুব আলম৷ কারখানাটি চালু রাখতে উনাদের কাছে বাণিজ্য মন্ত্রনালয়ের অনুমতি আছে বলে দাবী করেন তিনি৷ বৃহস্পতিবার(৯ এপ্রিল) দুপুর ২টা থেকে কারখানা বন্ধ রাখা হয় বলে জানান তিনি৷

করোনা ভাইরাস সংক্রামনের ঝুঁকির মধ্যে ইস্পাহানী গ্রুপের টেক্সটাইল কারখানা চালু রাখায় শ্রমিকদের মাঝে সৃষ্ট অসন্তোষের বিষয়টি স্থানীয় আকবর শাহ থানা পুলিশ জানতে পেরেছে বলে জানান থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি সিপ্লাসকে বলেন, এতো বড় একটি কারখানা খোলা দেখে বিষয়টি থানা পুলিশ প্রতিষ্ঠানটি কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করলে ইস্পাহানী গ্রুপের পক্ষ থেকে আমাদের জানানো হয় তাদের কাছে বাণিজ্য মন্ত্রনালয় থেকে কারখানা খোলা রাখার অনুমতি আছে৷

যেহেতু কোন কারখানা বন্ধ করে দেয়ার এখতিয়ার থানা পুলিশের নেই তাই বিষয়টি সিএমপি’র উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে বলে জানান ওসি মোস্তাফিজ।