সিপ্লাস ডেস্ক: করোনা শনাক্তের টেস্ট ফি গ্রহণের নির্দেশনা বাতিলের দাবি জানিয়েছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।
নমুনা দিতে ও ফলাফল পেতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি ও অব্যবস্থাপনা দূর করারও দাবি জানায় ক্যাব।
শনিবার এক বিবৃতিতে ক্যাব নেতারা বলেন, করোনা মহামারীর কঠিন দুর্যোগে মানুষ কর্মহীন, আয় রোজগার হারিয়ে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। এ অবস্থায় করোনা টেস্টের ফি সাধারণ রোগীদের জন্য ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে আর্বিভূত হয়েছে। সরকার একদিকে সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কোভিড আক্রান্ত হলে তাদের জন্য ৮-১০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আর সংকটকালীন সময়ে রাষ্ট্র নাগরিকদের বিপদে পাশে না থেকে উল্টো পরীক্ষা ফি নির্ধারণ করে মানুষের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এই ফি নির্ধারণ শুধু অমানবিক নয়, অগ্রহণযোগ্য ও কল্যাণকামী রাষ্ট্রের কাছে আশা করা যায় না।
তারা বলেন, রাষ্ট্রের সরকারি কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী, বিভিন্ন পেশাজীবীর জন্য পৃথক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করা হলেও সাধারণ রোগীদের ভাগ্য সেই জরাজীর্ণ সরকারি হাসপাতাল ছাড়া কিছুই নেই। সেখানে আবার ভিআইপি, ভিভিআইপি নামে সব সুবিধাগুলো ওপরতলার মানুষরা দখল করছে। চিকিৎসা সর্বজনীন না হলে এ অবস্থার পরিত্রাণ নেই।
ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, করোনা মহামারীকালে সরকার প্রধান হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দিনে ২০ ঘণ্টা পরিশ্রম করে সাধারণ জনগণের দুর্ভোগ লাগবে অবিরাম পরিশ্রম করছেন। অন্যদিকে সরকারের একশ্রেণির কর্মকর্তারা নানা ফর্মুলা দিয়ে মানুষের ভোগান্তি বাড়াতে নানা ফন্দিফিকির করছেন, যা প্রধানমন্ত্রীর কঠিন পরিশ্রম ও ত্যাগকে ম্লান করার জন্য নীল নকশা কিনা তা খতিয়ে দেখা দরকার।
শনিবার (৪ জুলাই) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে ক্যাব কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এসএম নাজের হোসাইন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরী, মহানগরের সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু, সাধারণ সম্পাদক অজয় মিত্র শংকু, যুগ্ম সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, দক্ষিণ জেলা সভাপতি আবদুল মান্নান, ক্যাব যুব গ্রুপের সভাপতি চৌধুরী কেএনএম রিয়াদ ও সম্পাদক নিপা দাস এসব দাবি জানান।








