সিপ্লাস প্রতিবেদক: প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের হার। চট্টগ্রামেও এর ব্যতিক্রম নয়। সরকারী-বেসরকারী হাসপাতালে খালি নেই আইসিইউ-এইচডিওসহ সাধারণ বেড।
করোনার এই চরম সঙ্কটে পরম মমতায় নির্ভয়ে নিশ্চিন্তে মানবিক সেবা অব্যাহত রেখেছে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ, আল মানাহিল, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, নিষ্ঠা ফাউন্ডেশনসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো।
করোনার শুরু থেকে শনিবার(৩১ জুলাই) পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলায় কাফন দাফনসহ মানবিক সেবা দিয়ে যাচ্ছে কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
যার মধ্যে গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ ৪০০০ জনের বেশী, আল-মানাহিল ওয়েল ফেয়ার ফাউন্ডেশন ৩০০০ জনের বেশী, কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম ৪৫০ জনের বেশী এবং নিষ্ঠা ফাউন্ডেশনসহ অন্যান্য সংগঠন ৫০০ জনের বেশী মোট প্রায় আট হাজার জনকে কাফন-দাফনসহ সেবা দিয়েছে দাবী করেছে।
গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ করোনায় আক্রান্তদের অক্সিজেন সাপ্লাই দেওয়ার পাশাপাশি কাফন-দাফন দিয়ে সার্বক্ষণিক সেবা অব্যাহত রেখেছে।
তাদের সেবা পেয়ে খুশি উপকারভোগীরা।
মহিলাদের জন্য স্বেচ্ছাসেবী মহিলারা সেবা দিচ্ছে বলেও জানিয়েছে এসব সংগঠন।
এই সেবা অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে করোনা রোগী সেবা ও কাফন দাফন কর্মসূচীর সদস্য আলহ্বাজ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ।
প্রতিনিয়ত অসংখ্য রোগীকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন করোনা রোগী সেবা ও কাফন দাফন কর্মসূচীর সমন্বয়ক এডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতেয়ার।
সেবা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে আল মানাহিল ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মাওলানা হেলাল উদ্দিন জমির উদ্দিন।
সারাদেশের ন্যায় চট্টগ্রামেও মানবিক সেবা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন চট্টগ্রাম সেন্টারের দাফন সেবা কার্যক্রমের প্রধান প্রশিক্ষক সৈয়দ মুসতাফা মুনীরুদ্দীন।
গাউছিয়া কমিটি , আল-মানাহিল , কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন, নিষ্ঠা ফাউন্ডেশন ছাড়াও আরো দু-একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন এই সেবা দিয়ে যাচ্ছে ।
করোনা সঙ্কটে সেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সেবার প্রশংসা করেন সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী।
চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে ৩১ জুলাই শনিবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ১৩৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৭৪২ জনের দেহে। চট্টগ্রামে করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৯৬২ জন।
করোনার এই দুর্যোগে এই মানবিক সংগঠনগুলোর মতো অন্যান্য সেবামূলক সংগঠনগুলো যদি এগিয়ে আসে ভোগান্তি আরো কমবে বলে মনে করছেন সমাজ সচেতনরা।
বিস্তারিত ভিডিওতে..








