নিউজটি শেয়ার করুন

করোনা নিরোধীকরনে আমিরাত সরকারের কার্যকরী ব্যবস্থায় সন্তুষ্ট প্রবাসীরা

এম আবদুল মান্নান, আমিরাত প্রতিনিধি: বিশ্বব্যাপী করোনার যে তান্ডব চলছে তা সংযুক্ত আরব আমিরাতেও আঘাত হেনেছে। তবে আমিরাতে সরকারের যথাযথ কা্যকরী ব্যবস্হা গ্রহনের ফলে এর ছোবল অনেকটা নিয়ন্ত্রনে রাখা গেছে। যদিওবা আক্রান্তের সংখ্যা (৩১মার্চ পযন্ত) ৬ শতাধিক্।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে গতকাল ৩১ মার্চ ৫১ জন নতুন আক্রান্তসহ করোনা ভাইরাসে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬৪ জন। তাদের মাঝে ১১ জন বাংলাদেশীও আছে। গতকাল পর্যন্ত ৬১জন সুস্হ হয়েছেন এবং ৬ জন মারা গেছেন।

তবে সরকারের কার্যকরী ও দ্রুত সমযে উপযুক্ত ব্যবস্হার দরুন করোনার ছোবল অনেকটা সীমিত রয়েছে বলে মনে করেন আমিরাতের বিভিন্ন পেশার প্রবাসীরা।

আমিরাতের প্রজন্ম বঙ্গবন্ধু কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি এসএম রফিকুল ইসলাম, আমিরাত গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব জানে আলম, আনজুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন আমিরাতের সাবেক চেয়ারম্যান হাফেজ আবদুল আজিজ, আমিরাত কেন্দ্রীয় বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবদুর কুদ্দুস খালেদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ মোচ্ছাফ্ফার শাখার সাধারন সম্পাদক আজিম উদ্দিন সিকদার, আমিরাত জাতীয়তাবাদী ফোরাম নেতা মুসা আল মাহমুদসহ বিভিন্ন পেশার প্রবাসীরা জানান, আমিরাত সরকারের করোনা ধমনে রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত ঘরে থাকা বাধ্যতামূলক আইনসহ আমিরাতে অন্যান্য আইনগুলো আমরা সবাই যেমন মেনে চলি তেমনিভাবে আমিরাত সরকারের অন্যান্য আইনগুলো সবাই মেনে চলে অযথা জমায়েত ও জটলা থেকে বিরত থেকে মহান আল্লাহর কাছে করোনা মুক্তির জন্য দোয়া করি।

মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন (ট্রেইনার), টিপু দাস (ব্যবসায়ী), মোহাম্মদ হালিম (চাকুরীজীবী)সহ আরো অনেক প্রবাসী জানান, আমিরাতে রাত ৮টা থেকে ৬টা চলছে করোনা নিরোধকরন স্প্রে। এ সময়ে আমরা সবাই ঘরে থাকলেও সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা অবধি আমরাসহ সকল প্রবাসীরা তাদের নিজেদের কাজ কর্ম সেরে নিতে পারি কোথাও জটলা বা জমায়েত না করে। সবাই এ নিয়মে অভ্যস্হ হয়ে গেছে।

আমিরাতে পার্ক, মসজিদ, স্কুল কলেজ, বড় বড় মল, বীচ, সিনেমা ইত্যাদি বন্ধ থাকলেও নিত্য প্রযোজনীয় ফার্মেসী, সুপার মার্কেট, গ্রোসারী, খাবার ডেলিভারীর হোটেল, সবজির দোকানগুলো খোলা আছে। অামিরাতে অবস্থানরত সকলে মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস পরা বাধ্যতামূলক। দেশীয় প্রবাসীসহ সবাই সরকারের নিদের্শনা মেনে চলছেন।

অভিজ্ঞ মহল মনে করেন সকল প্রবাসীরা যেভোবে এখানে আইন কা্নুন মেনে চলছেন দেশে অবস্থানরত তাদের পরিবার সেভাবে মেনে চললে করোনা মহামারী ঠেকানো যাবে।