সিপ্লাস ডেস্ক: করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার লন্ডনের রমফোর্ডের কুইন্স হাসপাতালের মৃত্যুবরন করেন ইস্ট লন্ডনের হমার্টন হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ইউরোলজিস্ট ডাক্তার মাবুদ চৌধুরী( ইন্না লিল্লাহে ……রাজেউন)।
মৃত্যুর আগে প্রায় ১৫ দিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন ৫৩ বছর বয়সী ডাক্তার চৌধুরী।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে গেছেন।
তার মৃত্যুর সংবাদ গতকাল ও আজ যুক্তরাজ্যের নিউজ মিডিয়াতে বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।
গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে ‘র. সদস্য ব্রিটিশ বাংলাদেশী চিকিৎসক , লন্ডন হোমারটন হসপিটালের কনসালটেন্ট ইউরোলজিস্ট ডাঃ আবদুল মাবুদ চৌধুরী ফয়সালের অকাল মৃত্যুতে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন সংগঠনের পক্ষে চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মনোয়ার হোসেন ও মহাসচিব কাউন্সিলর সৈয়দ ফিরোজ গণি।
এক বিবৃতিতে তাঁরা জাতির এক শ্রেষ্ঠ সন্তান বিয়োগে তার পরিবার ও অগণিত বন্ধু , বান্ধব , আত্বীয় ও শুভার্থীদের প্রতি গভীর সংবেদনা জানান এবং বৃটিশ সরকারের প্রতি অধিকহারে টেস্টিং ও করোনা আক্রান্ত রোগীদের আরো দ্রুত চিকিৎসা সেবা প্রদানের প্রতি জোর দাবী জানান ।
গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে জানায়, চট্টগ্রামে জন্ম নেয়া এ গড়ে উঠা এক অত্যন্ত সামাজিক, অমায়িক, সবার প্রিয়ভাজন ও মানুষের সেবায় দেশে ও ইংল্যান্ডে নিবেদিত প্রাণ একজন ব্যক্তিত্ব ছিলেন ডাঃ আবদুল মাবুদ চৌধুরী ফয়সাল। যুক্তরাজ্য চিকিৎসা বিজ্ঞানে কনসালট্যান্ট হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করা বিশাল পরিশ্রম ও মেধার প্রয়োজন এবং তিনি সেই যোগ্যতা অর্জন করেছিলেন।
তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ও সিলেট ক্যাডেট কলেজ এর ছাত্র ছিলেন। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নে সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন সেমিনার ও প্রেজেনটেশন ইত্যাদি করেছেন ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে। প্রবাসে অগণিত অসুস্থ বাংলাদেশিদের সাহায্যে তিনি নিরলসভাবে ছুটে গেছেন।
তাঁর স্ত্রীও সেখানকার কনসালটেন্ট চিকিৎসক।
মাবুদ চৌধুরী চট্টগ্রামের প্রখ্যাত শহীদ শেখ মুজাফ্ফর আহমদ এর নাতনি জামাই। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশও যুক্তরাজ্যের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি বলে গ্রেটার চট্টগ্রাম এসোসিয়েশন ইউকে মনে করে।








