করোনা ভাইরাস আতঙ্কে হুবেইপ্রদেশের উহানসহ ১৪ শহরের প্রবেশদ্বার কার্যত ‘তালাবদ্ধ’ করে দিয়েছে চীন প্রশাসন।
এ ছাড়া কিছু শহরে সিনেমা হল, রেস্তোরাঁ, কারাওকে বারের মতো বিনোদন স্থানগুলোও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। খবর দ্য টেলিগ্রাফ।
শুধু তাই নয়, সব ধরনের জমায়েতেই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। আজ ২৫ জানুয়ারি চীনা নববর্ষের অনুষ্ঠান, তাই বন্ধের মুখে।
মৃত্যু ও আক্রান্তদের বেশিরভাগই হুবেইপ্রদেশের রাজধানী উহান শহরের। এখান থেকেই গত বছর নতুন এ করোনা ভাইরাস উদ্ভূত হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবর বলছে, চীনের বাইরে আরও সাত দেশে ভাইরাসটির অস্তিত্ব পাওয়া গেলেও সেখানে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার চীনের ন্যাশনাল হেলথ কমিশন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ২৬ জনের মৃত্যু এবং আরও ৮৩০ জনের আক্রান্ত হওয়ার তথ্য দিয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ১৭৭ জনের অবস্থা গুরুতর বলেও জানিয়েছেন তারা। সন্দেহভাজন আরও এক হাজার ৭২ জনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে।
চীনা নববর্ষের ছুটির মধ্যে দেশটির কোটি কোটি মানুষ একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে যাতায়াত করলে সংক্রমণ হু হু করে বাড়তে পারে বলেও কর্তৃপক্ষ আশঙ্কা করছে। শনিবার থেকে চীনে লুনার নিউ ইয়ারের সপ্তাহব্যাপী ছুটি শুরু হচ্ছে।
ভাইরাসটির প্রতিরোধে চীনের অন্তত দুটো শহর সিলগালা করে দেয়া হয়েছে। বিবিসি বলছে, ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থল হুবেইপ্রদেশের এক কোটি ১০ লাখ নাগরিকের শহর উহানে সব গণপরিবহন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।
শহরের বাসিন্দাদেরও শহর ত্যাগে নিষেধ করা হয়েছে। উহানের পাশেই প্রায় ৭৫ লাখ অধিবাসীর শহর হুয়াংগ্যাংয়েও বাস ও ট্রেন যোগাযোগ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করা হয়েছে।








