সিপ্লাস ডেস্ক: কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রতিরোধে বান্দরবানে রুমায় আগামিকাল (৭ আগস্ট) শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে টিকাদান কর্মসূচি। ১৮ বছর থেকে তার উপর সব বয়সী লোকের করোনা ভাইরাস প্রতিষেধক টিকা প্রদানের জন্য উপজেলা চারটি ইউনিয়নের সাতটি বুথ এর স্থান নির্ধারণ করা হয়। তার মধ্যে রুমা সদর ইউনিয়নের তিনটি বুথ।
এগুলো হলো- লুংজিড়ি রাস্তায় মারমা ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (মাওএ) ভবন, থানা পাড়া মাওএ ভবন ও সদর ইউপি ভবন। পাইন্দু ইউনিয়নের দুইটি বুথ হচ্ছে- পাইন্দু হেডম্যান পাড়া ও চাঁন্দা হেডম্যান পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। রেমাক্রীপ্রাসা ইউনিয়নের দুইটি টিকাদানের বুথ হচ্ছে- সুনসং পাড়া ও থাইক্ষ্যং পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গালেঙ্গা ইউনিয়নের দুইটি বুথ হচ্চে- সেপ্রু পাড়া ও জৈতুন পাড়া সেন্টার। এ সাতটি টিকাদান বুথ কেন্দ্রে সাধারণ মানুষের মোট ৭০০০ (সাত হাজার) লোকের টিকাদানের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এইসব তথ্য জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ডাঃ বামংপ্রু মারমা।
বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকালে টিকাদানের কর্মসূচি বিষয়ে এইসব তথ্য স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য – পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও উপজেলা সংক্রমণ ও ব্যবস্থাপনা কমিটি সদস্য সচিব ডাঃ বামংপ্রু বলেন সারা দেশের ন্যায় ইউনিয়ন পর্যায়ে আগস্ট ৭, ৮ ও ৯ তারিখ, এই তিনদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪ টাকা নির্ধারতি কেন্দ্রে নিবন্ধন করে টিকা নিতে পারবে। তিনি আরো বলেন এবার বুথ বসিয়ে গণহারে যে টিকা দেয়া হচ্ছে, সেটি চায়নার সিনোফার্মের। তাই চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম ধাপে প্রথম ডোজ নিয়েছে তারা দ্বিতীয় ডোজ হিসেবে চায়না সিনোফার্মের এ টিকা না নিতে সবার প্রতি অনুরোধ করেছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউনও) মোহাম্মদ ইয়ামিন হোসেন বলেন জাতীয় পরিচয় পত্র যাদের হয়নি, তবে ১৮বছর পূর্ণ হয়েছে, সে তার জন্ম নিবন্ধন দেখিয়ে নিবন্ধন করে টিকা নিতে পারবে। তাছাড়া বিভিন্ন কাজের সূত্রে রুমায় বসবাস করেন অথচ এখানে ভোটার হয়নাই, তারাও টিকা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ইউএনও ইয়ামিন হোসেন বলেন বুথ কেন্দ্রে যাতে টিকাদানে সহজ হয়, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান- সদস্যরা সহযোগিতা করবেন, তার সাথে রেডক্রিসেন্টের কর্মীরাও সেচ্ছাসেবক হিসেবে সার্বিক সহযোগিতা করছেন। শৈহ্লাচিং মারমা








