সিপ্লাস প্রতিবেদক: নগরীতে গত কয়েক সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে সবজির দাম। স্বস্তি নেই সবজির বাজারে। এরমধ্যে কাঁকরল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায় আর বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।
শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে নগরীর রেয়াজউদ্দীন বাজার,দেওয়ানহাট কাচাঁবাজার,২নং গেইট কাচাঁবাজার এলাকা ঘুরে দেখা যায়,প্রতি কেজি কাঁকরল ১৪০ টাকা,বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকায়, গাজর ৩০ থেকে ৪০ টাকা, শিম ৫০ থেকে ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, ঢেঁড়শ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা,তিত করলা ৬০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, আলু বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি। প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।
কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকায়। কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা। খিরা ৫০ টাকা। শসার দাম ৪০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। লেবুর দাম বেড়ে হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়।
রসুনের কেজি ১০০ থেকে ১২০ টাকা, আদা ১০০ থেকে ১২০ টাকা। হলুদ ১৮০ টাকা থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজার করতে আসা একাধিক ক্রেতারা জানান, কাঁকরল আর বেগুন নয় সব সবজিরই দাম বেড়ে গেছে। এতে করে আমরা যারা নিম্ন আয়ের মানুষের পক্ষে এত দাম দিয়ে সবজি কিনে খাওয়া মোটেও সম্ভব না। কারণ যে টমেটোর দাম ছিল ১০ টাকা তা এখন ৩০ টাকা,আলু ১০ থেকে ১৫ টাকা ছিল তা এখন ২০ টাকা। এভাবেই সব সবজির দাম বেড়ে গেছে। এটা শুধু এ বছর নয় সারা বছর রমজান আসলেই সব কিছুর দাম বেড়ে যায়।
কয়েকজন খুচরা সবজি ব্যবসায়ী জানান, আমাদের বেশি দামে সবজি ক্রয় করতে হচ্ছে। তাহলে কম দামে কিভাবে বিক্রি করব। এক বস্তা আলুর মধ্যে দেখা যায় ৫/৬ কেজি আলু পচে গেছে। এরমধ্যে বস্তা প্রতি বাড়তি দিতে হয় ১৫০ থেকে ২০০ টাকা। তার মধ্যে কাঁকরল এখনও উৎপাদন কম তাই বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।
রিয়াজ উদ্দীন বাজার আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: ফারুক শিবলী সিপ্লাসকে বলেন, যে কোন সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ কম থাকলে তখন সবজির দাম বেশি থাকে। তাই এখন কাকরল,বেগুনের দাম একটু বেশি। পরে তা কমতে থাকে। রমজানের আগে ও পরে সবজির উৎপাদন ও সরবরাহ কমে যাওয়ায় কিছুটা সবজির দাম বেড়েছে।








