নিউজটি শেয়ার করুন

কাঁঠাল আরেকটু ছোট করা যায় কি না, দেখুন: পরিকল্পনামন্ত্রী

“এখন কাঁঠালের আকার অনেক বড় হওয়ায় প্রায় ৪০ শতাংশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আপনারা কাঁঠালের আকারটা আরেকটু ছোট কীভাবে করা যায়, তা গবেষণা করতে পারেন। কাঁঠালের আকার সিভিলাইজড করেন,” বলেছেন তিনি।

জাতীয় ফল কাঁঠালের আকার ছোট করা গেলে তা বহন সহজ হওয়ার কথাও বলেন মান্নান।

সোমবার রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট ফোরামের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী কাঁঠালের পাশাপাশি কচুরিপানা নিয়েও গবেষণা করতে কৃষি গবেষকদের আহ্বান জানান।

“কচুরিপানাকে খাওয়ার উপযোগী করা যায় কি না, দেখেন। আমরা খেতে না পারলেও গরু তো খায়, গবেষণা করে তাদের জন্য হলেও পুষ্টি বাড়ানো যায় কি না, তা দেখা যাক।”

বাংলাদেশের খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার লক্ষ্য অর্জনের পথে কৃষি গবেষকদের অবদানের প্রশংসা করেই মান্নান বলেন, “মাননীয়  প্রধানমন্ত্রী প্রায় বলেন, আমাদের দেশে গবেষণা কম হচ্ছে। গবেষণা হলে তিনি অর্থায়নে রাজি আছেন।”

ঢাকার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে এই অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. অধ্যাপক শামসুল আলম ও কৃষি গবেষক এমএ রহিমকে “রিসোর্স ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড ২০১৯” দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক লুৎফুল হাসান ও শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহাম্মদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।