নিউজটি শেয়ার করুন

কাজির দেউড়িতে নির্বাচনী সংঘর্ষ, বিএনপি ও যুবদলের ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

সিপ্লাস প্রতিবেদক: নগরীর কাজির দেউড়ি এলাকায় বুধবার রাতে ছাত্রলীগের সদস্যদের ওপর হামলার অভিযোগে বিএনপি ও যুবদলের ৪৫ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নগরীর নূর আহম্মদ সড়কে বুধবার রাতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীর নির্বাচনী ক্যাম্প ভাংচুরের পর বিক্ষোভ মিছিল করে তাদের সমর্থকরা। সেসময় বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্যে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ ও গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটে; কয়েকটি ককটেল বিষ্ফোরণও ঘটানো হয়।

বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য মো. মোশারাফুল হক চৌধুরী পাভেল বাদি হয়ে কোতোয়ালী থানায় এ মামলাটি দায়ের করেন।

বিষয়টি নিশ্চত করে কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন বলেন, কাজির দেউড়ি এলাকার নাসিমন ভবনের সামনে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ এনে ৪৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।

মামলার এজাহারনামীয় আসামিরা হলেন- এইচ এম রাশেদ খান (৪০), হারুন অর রশিদ (৪৫), সৈয়দ আবুল বশর (৪০), মো. শাহনেওয়াজ (৪৫), মো. দেলোয়ার হোসেন (৫০), মো. আকতার খান (৫৩), মো. ইমন (৩৫), জিয়াউর রহমান জিয়া (৪০), মো. সাকিব (২৭), খলিল (৩০), আলী হাসান রাজু (৪৫), এমরান (৩৫), আলী হোসেন (৩৫), আবদুল মোতালেব প্রকাশ কিং মোতালেব (৩৫), মো. আবদুল জলিল (৪৬), রাব্বি (২০), মঞ্জুর রহমান চৌধুরী (৫৬), মো. ইউসুফ (৪৩), মো. আসিফ (২০), মো. সেলিম (৫২), জাহেদ উল্লাহ রাশেদ (৩৭), মোহাম্মদ আলী মিঠু (৪৫), মো. হুমায়ুন (২৮), শেখ রাসেল (৩৮), শাহ ইমরান সিদ্দীকি জ্যাকসন (৩৬), মো. মিন্টু প্রকাশ মিনু (৩৭), সোহেল (৩০), বাবু (৪০), মো. সেলিম (৩৫), মো. জাহেদ (৩৭), মো. সাজ্জাদ (৩০), মো. তালেব (৪১), মো. সাইফুল (৩৫), মো. শাহাদাত হোসেন নাবিল (২৫), মো. হোসেন (৩৬), আবদুস সোবহান (২৮), রিপন (৪৭), মো. নাসির (৪৫), মো. হোসেন প্রকাশ মাসুম (৪৭), মো. হাছান (৪৩), মো. মোতালেব (২৪), সামছুল ইসলাম (৪০), যুবরাজ (৩৫), কায়সার (৪০) ও নুর হোসেন (৩৫)। আসামিরা বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মী বলে জানা গেছে।

ওসি মোহাম্মদ নেজাম উদ্দীন বলেন, ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় বিএনপি অফিস থেকে ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। পরে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ৬-৭ জন আহত হয়।