নিউজটি শেয়ার করুন

কাভার্ডভ্যান-ট্রাক এর কর্মবিরতি প্রত্যাহার, ৩০ ঘন্টা পর চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য পরিবহন স্বাভাবিক

সিপ্লাস প্রতিবেদক: ১৫ দফা দাবিতে সারাদেশে ডাকা কর্মবিরতি (ধর্মঘট) প্রত্যাহার করেছে বাংলাদেশ কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার পণ্যপরিবহন মালিক অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশন।

এদিকে কাভার্ডভ্যান-ট্রাক মালিক-শ্রমিকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের খবরে স্বস্তি মিলেছে চট্টগ্রাম বন্দর সংশ্লিষ্টদের। বিকালে এই কর্মবিরতি প্রত্যাহার হওয়ার পরপরই চট্টগ্রাম বন্দরের পণ্য ডেলিভারি নিতে কোন ট্রাক-কার্ভাড ভ্যান এবং লরি বন্দরে ঢুকে কাজ শুরু করে। তেমনি বন্দরের জেটিতে থাকা গাড়িগুলোও বিকালে পণ্য নিয়ে বের হয়।

ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানের পণ্য পরিবহণ স্বাভাবিক হওয়ায় দুপুরের পর থেকে বন্দরের ইয়ার্ডে কন্টেইনার থেকে পণ্য খালাস এবং কন্টেইনার পরিবহন স্বাভাবিক হয়ে যায়। দুপুরের পর থেকে বন্দরে জরুরি আমদানি-রফতানি পণ্যবাহী বিপুল সংখ্যক কাভার্ড ভ্যান আসা-যাওয়া করে।

উল্লেখ্য কর্মবিরতির ফলে বন্দর থেকে চট্টগ্রাম নগরীর ১৯টি বেসরকারি ডিপোতে কন্টেইনার পরিবহন প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। বন্দর-পতেঙ্গা এলাকায় সড়কে যানবাহনের চাপও কমে যায়। বন্দর টোল রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় সারি সারি কন্টেইনারবাহি লরি অলস বসে থাকতে দেখা যায়।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বৈঠক শেষে ট্রাকচালক শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি তালুকদার মো. মনির কর্মবিরতি (ধর্মঘট) প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন।

১৫ দফা দাবিতে সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) কাভার্ডভ্যান-ট্রাক-প্রাইমমুভার মালিক অ্যাসোসিয়েশনের অফিস সেক্রেটারি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকে ৭২ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দেন।

এর আগে গত ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর কদমতলীতে আন্তঃজেলা মালামাল পরিবহন সংস্থা ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়।

উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো- মোটরযান মালিকদের ওপর আরোপিত অগ্রিম আয়কর বা বর্ধিত আয়কর অবিলম্বে বাতিল, ইতোমধ্যে আদায় করা বর্ধিত কর স্ব স্ব মালিককে ফেরত দিতে হবে, পুলিশের ঘুষ বাণিজ্যসহ সব ধরনের হয়রানি বন্ধ করতে হবে, গাড়ির কাগজপত্র চেকিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করতে হবে, যেসব চালক ভারী মোটরযান চালাচ্ছে তাদের সহজ শর্তে এবং সরকারি ফি’র বিনিময়ে অবিলম্বে ভারী ড্রাইভিং লাইসেন্স দিতে হবে, সব শ্রেণির মোটরযানে নিয়োজিত সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের রেশনিং সুবিধার আওতায় আনতে হবে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here