নিউজটি শেয়ার করুন

কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ইউনুস গ্রেফতার

কক্সবাজার প্রতিনিধি: চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী গর্জনতলী এলাকায় পানির সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে ১২ বছরের কিশোরী ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত মো.ইউনুসকে অবশেষে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ জুন) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থেকে র‌্যাব-১৫ এর একটি টিম তাকে গ্রেপ্তার করেন। র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও পরিচালক আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত ১৩ জুন দিবাগত রাত ১১টার দিকে এ ঘটনার মুল পরিকল্পনাকারী রোকসানা আক্তারকে খুটাখালী ইউনিয়নের গর্জনতলী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

র‌্যাব-১৫ এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী শুক্রবার এক প্রেস ব্রিফিং এ জানান, গত ২ জুন বিকালে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডস্থ গর্জনতলী এলাকায় পানির সাথে নেশাজাতীয় দ্রব্য পান করিয়ে ১২ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনার সাথে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রাখে র‌্যাব। ঘটনার বিবরণে প্রকাশ, আটক রোকসানা আক্তার বিয়ের অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে তারই প্রতিবেশী ১২ বছরের ওই কিশোরীকে তার বাড়িতে নিয়ে যায়। বাড়িতে নিয়ে কিশোরীকে খাবার খেতে দেয় এবং পানিতে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে তাকে পানি পান করায়। কিশোরী অচেতন হয়ে পড়লে তাকে পাশের রুমে নিয়ে শুইয়ে রাখে। এরপর পরিকল্পনা অনুসারে ইউনুস নামের ব্যক্তিকে খবর দেয়। অভিযুক্ত ইউনুছ সহযোগি নারী রোকসানার সহায়তায় ওই ১২ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে কিশোরী অজ্ঞান হয়ে যায়। এরপর তারা কিশোরীকে বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেয়।

র‌্যাবের এএসপি আবদুল্লাহ মোহাম্মদ শেখ সাদী আরও বলেন, ভিকটিম ওই কিশোরীকে বাড়িতে আনার পর তাঁর মা অজ্ঞান হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তারা সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হন। এরপর তাকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক কিশোরী ধর্ষিত হয়েছে জানায় এবং চিকিৎসা সেবা দেন। ঘটনার পর থেকে সত্যতা যাচাইপূর্বক অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষণকাণ্ডের সহযোগী রোকসানা আক্তারকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব-১৫। এঘটনায় চকরিয়া থানার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়। ঘটনার ২২ দিনের মাথায় ২৪ জুন সন্ধ্যা ৭ টার দিকে চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থেকে র‌্যাব-১৫ এর একটি টীম ধর্ষক ইউনুসকে গ্রেফতার করেন।