Site icon CPLUSBD.COM

কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে রেসিডেন্সিয়ালের ছাত্র নিহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি

ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ কর্তৃপক্ষ কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

দৈনিক প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর একটি অনুষ্ঠান চলাকালে শুক্রবার বিকালে কলেজ ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরার (১৫)। কলেজের দিবা শাখার ছাত্র আবরারের বাড়ি নোয়াখালী। ঢাকার আগারগাঁওয়ে পরিবারের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

এ ঘটনায় আয়োজকদের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করে শিক্ষার্থীরা বলছে, সংশ্লিষ্টদের অবহেলার কারণেই আবরারকে মারা যেতে হয়েছে।

শনিবার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা চিত্র ৭২ ঘণ্টার মধ্যে দিতে আয়োজক কর্তৃপক্ষ প্রথম আলোর কাছে দাবি করে। কলেজের অধ্যক্ষ এসে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের বিষয়ে আশ্বস্ত করলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা শান্ত হন।

কলেজটির অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কাজী শামীম আহমেদ বলেন, নবম শ্রেণির ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাতের মৃত্যুর ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

মোহাম্মদপুর থানার ওসি জিজি বিশ্বাস জানান,পরিবারের আবেদনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কি আনন্দ’ শিরোনামেও ওই অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি করা মঞ্চের পেছনে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন আবরার। আয়োজকরা তাকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, আয়োজকরা তাকে কাছের সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে না নিয়ে মহাখালীর আয়েশা মেমোরিয়াল হাসপাতালে নিয়ে যায়। ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের অংশীদার ছিল বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে কিশোর আলো সম্পাদক আনিসুল হক এক ফেইসবুক পোস্টে লিখেছেন, “গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে কিশোর আলোর অনুষ্ঠান দেখতে এসে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজের ক্লাস নাইনের ছাত্র নাইমুল আবরার বিদ্যুতায়িত হয়। ওখানেই জরুরি মেডিক্যাল ক্যাম্পে তাকে নেয়া হয়। দুজন এফসিপিএস ডাক্তার দেখেন। জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নিতে বলেন। হাসপাতালে নেয়া হলে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।