সিপ্লাস ডেস্ক: দেশে আর কোনো হাসপাতাল নতুন করে লকডাউন করা হবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এখন থেকে সবগুলো হাসপাতাল খোলা থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
করোনা ভাইরাস নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, করোনা মোকাবিলায় সরকার খুব দ্রুতই নতুন ২ হাজার চিকিৎসক ও ৬ হাজার নার্স নিয়োগ দেবে।
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ তথ্য জানাতে গিয় জাহিদ মালিক বলেন, নতুন আরো ৪১৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস ধরা পড়েছে। এতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪১৮৬ জনে। গেল ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২৭ জনে। এছাড়া গেল ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৬ জন সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে ১০৮ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।
গেল ডিসেম্বরে চীনে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর তা লাগামছাড়া হতে শুরু করে জানুয়ারিতে। মাসের মাঝামাঝিতে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। তখন থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সব দেশকেই প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানায়। টুকটাক প্রস্তুতিও নেয় দেশগুলো।
এর মাঝে গেল ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয়। তখন বাড়ানো হয় সতর্কতা। এরপর শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা মার্চ জুড়ে প্রতিদিন প্রায় একরকমই ছিল। তবুও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সরকার সব সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সেই ছুটি চলছে এখনও। বুধবার (২২ এপ্রিল) সবশেষ জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনে ছুটি বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫ মে পর্যন্ত।
ছুটির উদ্দেশ্য সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখা, সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করা। কিন্তু শুরুতে সরকারের সেই আহ্বান অনেকটা শুনতে দেখা যায়নি মানুষকে। পরবর্তীতে কঠোর হয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আদেশ জারি করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মানুষের বাইরে বেরনো নিষিদ্ধ করা হয়।

