নিউজটি শেয়ার করুন

খুটাখালীতে পানি নিষ্কাশনের জন্য এলজিইডি’র রাস্তা কেটে বিপাকে গ্রামবাসী

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কৃষি জমি ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের জন্য এলজিইডি’র রাস্তা কেটে বিপাকে পড়েছে চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৩টি ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পানি নিষ্কাশনের নামে রাস্তাটির প্রায় ২০ ফুট কেটে ৫ ফুট ভরাট করায় চলাচলে বাড়ছে ভোগান্তি। এখন ওই অংশটিতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের হাফেজখানা-লালগোলা সড়কে রেল লাইনের একটি সেতু নির্মাণ করছে। এ কারণে স্থানীয়রা নির্মাণাধীন সেতুর নিচ দিয়ে যাতায়াত করে আসছিল। তবে রেলওয়ে ও এলজিইডি সড়কে পানি নিষ্কাশনের কোনো কালভার্ট না থাকায় ইউনিয়নের মাইজপাড়া ও কৃষি জমির পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ হয়ে যায়। যার কারনে কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মাইজপাড়া এলাকার বিভিন্ন ঘরবাড়ি ও ক্ষেত তলিয়ে যায়। এসব বসতি ও জমির পানি নিষ্কাশনের জন্য যাতায়াতের কথা বিবেচনা না করেই গত শনিবার সড়কটির একটি বিশাল অংশ কেটে দিয়ে মাত্র ১০ ফুট অংশে পাইপ দিয়ে ভরাট করে দেয় স্থানীয়রা। কিন্তু অতিরিক্ত পানির চাপে রাস্তাটির প্রায় ২০ ফুট ভেঙে চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পথে। এ কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন ইউনিয়নের ৩ টি ওয়ার্ডের কয়েক হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এখানে রেলওয়ের সেতু ও রাস্তা নির্মাণ শুরুর পর থেকে আমরা নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হচ্ছি। সড়কের একটি অংশ কেটে দেয়ায় ভোগান্তি আরো বেড়েছে। এখন যানবাহন চলাচল করতে গিয়ে চরম ঝুঁকিতে পড়েছে। তবে মাইজপাড়ার বাসিন্দারা জানান, এ পথ দিয়ে বৃষ্টির পানি নেমে যেতে না পারায় কয়েক দিনের বৃষ্টিতে আমাদের এলাকার বসতবাড়ি ও ক্ষেত তলিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমরা এ ব্যাপারে স্থানীয় মেম্বার-চেয়ারম্যানকে অভিযোগ দিয়ে পথটি কেটে দিয়েছি।

স্থানীয় ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল হক বলেন, পানি নিষ্কাশনের জন্য চলাচল রাস্তা কেটে দেয়ায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে। তবে পাইপ বসানোর পর পুরো রাস্তা মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়নি। যার কারনে যান চলাচল চরম ঝুঁকিতে পড়েছে।

খুটাখালী ইউপি চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবদুর রহমান বলেন, হাফেজখানা রাস্তাটিতে যদি আগে থেকে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকত তাহলে আজ এ সমস্যা হতো না। যারা রাস্তা কেটে দিয়েছে তাদেরকে বলে দেয়া হয়েছে পুরো অংশ ভরাট করে দেয়ার। তারা দায়সারা ভাবে চলাচল রাস্তা কেটে জন ও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে এলজিইডি’র চকরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী কমল কান্তি পাল বলেন, দু-একদিনের মধ্যে ওই সড়ক পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here