নিউজটি শেয়ার করুন

খুটাখালীতে সীমানা বিরোধের জের, পিতা পুত্র রক্তাক্ত জখম

সেলিম উদ্দীন, কক্সবাজার: দীর্ঘদিনের সীমানা বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের ইটের আঘাতে রক্তাক্ত জখম হয়েছে পিতা পুত্র। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সোমবার(১৫ জুন) সকাল সোয়া ৯ টার সময় চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী দক্ষিণ পাড়ায় ঘটে এ ঘটনা। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের এক নারীও কমবেশি আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। বিষয়টি তাৎক্ষনিক স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল হককে অবহিত করা হয়েছে।

এ ঘটনায় রক্তাক্ত জখম হয়েছে পিতা-পুত্র, তারা হলেন ইউনিয়নের দক্ষিণ পাড়ার মৃত জয়েনুদ্দীনের পুত্র নুরুল আলম ড্রাইভার (৬০), তারই পুত্র সাইফুল ইসলাম(২৮)। সংঘটিত ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিযোগে জানা গেছে, বর্নিত এলাকার নুরুল আলম ড্রাইভারের সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে একই এলাকার মুর্শেদ আলমের পুত্র ফসি উদ্দীন রুবেল মিয়ার সাথে বিরোধ চলে আসছিল।

বিষয়টি স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শালিশী বৈঠকের মাধ্যমে আপোষ মিমাংসা করে একটি লিখিত মতামত দেন গত ১২ জুন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে নুরুল আলম ড্রাইভার সোমবার সকালে সীমানার বাউন্ডারীর কাজ করেন। এসময় রুবেল মিয়ার নির্দেশে তার ভাই আবদুল করিম মিন্টু, নুরুল ইসলাম হিরু কাজে বাধাঁ দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এ সময় মিন্টু- হিরু এলোপাতাড়ি ইট নিক্ষেপ করে। ছুড়া ইট গিয়ে নুরুল আলম ড্রাইভার ও তার পুত্র সাইফুল ইসলামের মাথায় পড়লে তারা দুজন রক্তাক্ত জখম হয়। তাদের শোর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে প্রতিপক্ষের লোকজন পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় পিতা পুত্র কে স্থানীয়রা হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানা গেছে।

খুটাখালী ৫ নং ওয়ার্ড মেম্বার নুরুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, উভয় পক্ষের সীমানা বিরোধের সমস্য নিয়ে ইতিমধ্যে একটি শালিশী রায় দেয়া হয়েছে। রায় উপেক্ষা করে মুলত এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও শালিশী বৈঠকের প্রধান অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষের সীমানা নিয়ে চলমান বিরোধ নিয়ে স্থানীয় ৫ সদস্যের গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গত ১২ জুন একটি লিখিত মতামত পেশ করেন। মতামতের প্রেক্ষিতে নুরুল আলম গং সীমানার বাউন্ডারী দেয়াল নির্মান কাজ শুরু করলে ফসি উদ্দীন রুবেল গং বাকবিতন্ডার একপর্যায়ে নুরুল আলম ও তার পুত্র সাইফুল ইসলামকে মারধর করে রক্তাক্ত জখম করে। আপাতত উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে।