রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াংঙ্গার কাটা, ৩ নং ওয়ার্ড়ের মৃত আহাম্মদ মিয়াজীর ছেলে ছিদ্দিক আহাম্মদের বাড়িঘর, একই এলাকার মৃত হারুমিয়ার ছেলে আবদুল আলীমের ভাই, উমর আলী, আজগর আলী এবং এমার আলীর নামে লিখে নেওয়া অভিযোগ উঠেছে। যার কারনে সহায় সম্পদ ও ঘরবাড়িহীন ভোক্তভোগী ছিদ্দিক বাদী হয়ে রামু থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, ভোক্তভোগী ছিদ্দিক আহাম্মদ, দীর্ঘদিন এলাকার মুখোশধারী সমাজ সেবক বিএনপি নেতা, আবদুল আলীমের বাড়িতে চাকর হিসেবে চাষবাসের কাজ করতেন। সে লেখা পড়া একেবারে জানতো না। সেই সুযোগে, অভিযোক্ত আবদুল আলী বসতভিটার খতিয়ান করে দিবে বলে ওই ছিদ্দিক আহাম্মদের বসত বাড়িসহ ১৩ শতক জায়গা নিজের ভাইদের নামে রেজিঃ করে নেয়। যা পরবর্তীতে জানতে পারে ওই ছিদ্দিক আহাম্মদ ও তার সন্তানরা প্রতিনিয়ত এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বলে এলাকাবাসী জানান।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড়ের ইউপি সদস্য আবদুল জব্বার জানান, “গর্জনিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আবদুল আলিম, এলাকার মুখোশধারী ভালো মানুষ। সে প্রতিনিয়ত এলাকার সহজ সরল, গরীব অসহায় অশিক্ষিত মানুষদের ধোকা দিয়ে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে জায়গা জমি লিখে নেন। এমনকি তার ওই প্রতারণার হাত থেকে রেহায় পাননি জুলেহা বেগম নামে এক অসহায় নারীও”। এলাকার সচেতন মহল এই ঘটনার উপযোক্ত বিচার দাবী করেন এবং অবিলম্বে নিজেদের নামে লিখে নেওয়া জায়গা জমি ফেরত দেওয়ার দাবী জানান।
অভিযোগের বিষয়ে গর্জনিয়া পুলিশ ফাড়িঁর এএসআই মুরাদ অভিযোগের সত্যইতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযোগটি তিনি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছেন। এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।








