রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়ের মাঝির কাটা, বেলতলি এলাকার বীট কর্মকর্তার অফিস সংলগ্ন, সরকারী বনবিভাগের আওতাধীন সামাজিক বনায়নের জায়গা দখল করে, কবরস্থান করেছে, স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালী মহল। যার কারনে দিনদিন উজাড় হতে চলেছে সরকারী বন বিভাগের জায়গা। এতে, বনের জায়গা দখল করে বসতবাড়ী-দোকানঘর নির্মানে আরো উৎসাহী হচ্ছে ভূমিদূস্যুরা। এতে করে একদিকে যেমন পরিবেশ ও জলবায়ুর উপর প্রভাব পড়ছে।
অন্যদিকে, কোন এলাকায় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায়, গড়ে যে পরিমান বনভূমি থাকা দরকার, ওই এলাকায় তা হচ্ছে অপ্রতুল্য। স্থানীয় বেশ কিছু লোকজন ও বনবিভাগের কর্তাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, ৭/৮ দিন আগে, বেলতলি এলাকার ১৫/২০ জন লোক, ওই জায়গাটিতে আগুন দিয়ে সামাজিক বনায়নের রুপনকৃত চারাগাছ পুড়ে, দিনে দিনে প্রায় ৫ একর জায়গা দখলে নিয়ে, এতে কবর স্থানের সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দিয়েছে।
পরে তারা কৌশুলে ওইখানে আগে থেকে কবর ছিলো বলে প্রচার করে। যার কোন সত্যইতা ওই এলাকায় পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় নাম প্রকাশে অনিচ্চুক ২/৩ জন জানান, ‘ওইটি বনবিভাগের জায়গা। ওখানে কোন বড় মানুষের কবর আছে কিনা তাদের জানা নাই। তবে শিশুর কবর থাকতে পারে বলে তারা আশংকা প্রকাশ করেন’।
ঘিলাতলী বিট কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, ‘সরকারী ওই জায়গা দখলে বাধাঁ দেওয়ার কারনে, তাদের এক স্টাফকে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করেছে চিহ্নিন্তরা’।
গর্জনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, ‘কবরস্থানটি সরকারী বনবিভাগের জায়গায় সেটা ঠিক। তবে ওখানে ৩/৪ বছর ধরে লোকজন কবর দিয়ে আসছে বলে জানান তিনি।
সম্প্রতি ওই জায়গাটি আরো বাড়ানো হয়েছে কিনা জানতে চাইলে, তিনি তা খোজঁ খবর নিয়ে জানাবেন বলেন’।
বাকঁখালী রেন্জকর্মকর্তা আতাইলাহী জানান, ‘সরকারী বনবিভাগের জায়গাতে কেউ কবরস্থান বা অন্য কিছু করার অধিকার কারো নাই। সম্প্রতি ৭/৮ দিন আগে, এলাকার কতিপয় লোকজনের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন ওই জায়গাটি দখলে নিয়ে রাতারাতি সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। তারা ওই জায়গাটি উদ্ধার করবে বলে জানান’।
রামু উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রনয় চাকমা জানান,’ সরকারী বনবিভাগের জায়গা দখল করে কবরস্থান করার এখতিয়ার কারো নাই। তিনি এই ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন বলে জানান’।








