নিউজটি শেয়ার করুন

গর্জনিয়াতে রোহিঙ্গার হামলায় শ্রমিকলীগ নেতা আহত

রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নে শ্রমিকলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও পশ্চিম বোয়াংখীল সিকদার পাড়ার আবদুল মজিদের পুত্র আনিসসের উপর অতর্কিত হামলা করে মারত্বক আহত করেছে, গর্জনিয়া বাজারের রোহিঙ্গা ডাক্তার নামধারী ডাঃ ফয়েজ।

মঙ্গলবার(১০ মার্চ) বিকেলে গর্জনিয়া বাজারের মাছ বাজারে  এঘটনা ঘটেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আনিস বাজারের সেবা ডায়গনিষ্টিক সেন্টারে একজন নিকট আত্বীয় নিয়ে এক্সরে করতে গেলে, আগে থেকে উৎপেতে থাকা, ডাক্তার ফয়েজ ও তার দলবল নিয়ে ওই শ্রমিক নেতার উপর অতর্কিত হামলা করে এবং তার ঔষুধের দোকানে ডুকিয়ে বেধড় মারধর করে তার পকেটে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ফেলে।

এসময় তার শোরচিৎকারে পার্শ্বউক্ত লোকজন এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এতে মারত্বক আহত অবস্থায় আনিসকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন তার পরিবারের লোকজন।

আহত আনিস জানান, ‘ওই ডাক্তার নামধারী ফয়েজ একজন রোহিঙ্গা ও আরএসও’র সক্রিয় সদস্য ছিলো। সে নাইক্ষ্যংছড়ির দৌছড়ি জারালিয়া ছড়ির একজন বাংলাদেশী মেয়েকে বিয়ে করে, তার সহযোগিতায় কু-শৌলে বাংলাদেশী আইডি কার্ডধারী হয়ে যায়।

পরে, গর্জনিয়া বাজারের ডাঃ ওসমানের মালিকানাধীন মেসার্স নিরাময় ফার্মেসীতে দোকান কর্মচারীর চাকরি নেন। এতে বেশ কয়েক বছর কাটিয়ে গেলে ঔষুধ বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা লাভের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে নিজেকে স্বঘোষিত ডাক্তার বলে গর্জনিয়া বাজারের বিভিন্ন দোকানে পরিচিত লাভ করার চেষ্টা করে।

আহত আনিস আরো জানান, দীর্ঘ ওই সময়ে ওই রোহিঙ্গা আরএসও হয়ে উঠেন, ডাঃ ফয়েজ। মালিক হয়ে যান লাখ লাখ টাকা, নামে বেনামে জায়গা জমির মালিক”। এই বিষয়ে কথা বলতে অভিযোক্ত ডাঃ ফয়েজের সাথে ০১৮১৫৪৯২০৭১ নাম্বারে যোগাযোগ করা হলে, তিনি নিজেকে নির্দোষ বলে দাবী করে বলেন, ‘ওই আনিসের কাছে সে (ফয়েজ) টাকা পাবে। তাই ওই টাকা খুজতে তাকে দোকানে ডাকা হয়েছিল’। পরে এই ব্যাপারে রামু থানার ওসি বলেন, তারা অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।