সিপ্লাস ডেস্ক: রাজধানীর নাখালপাড়ার একটি বাসা থেকে এক দম্পতির লাশ উদ্ধার করার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার সকালে তাদের কিশোর সন্তানের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর দুজনের মরদেহ পায় বলে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার রুবায়েত জামান জানান।
গৃহকর্তা আজমত আলীর লাশ ঘরের ভেতরে ফ্যান থেকে ঝুলছিল। আর তার স্ত্রী ফারজানা বেগমের লাশ পড়ে ছিল ঘরের মেঝেতে।
তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় পুলিশের ধারণা হয়েছে, ফারজানাকে ‘হত্যার পর আত্মহত্যা’ করেছেন আজমত।
রুবায়েত জামান বলেন, “ওই দম্পত্তির ১৫ বছর বয়সী সন্তান সকালে ফোন করে পুলিশকে জানায়, বাবা-মায়ের ঘর থেকে তারা কোনো সাড়া-শব্দ পাচ্ছে না, দরজাও খুলছে না। এই খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে সকাল ৯টার দিকে তাদের লাশ উদ্ধার করে।”
৪৫ বছর বয়সী আজমত মাছের ব্যবসা করতেন। আর ৩৬ বছর বয়সী ফারজানা চাকরি করতেন একটি এনজিওতে। তিন সন্তান রয়েছে তাদের।
রুবায়েত জামান বলেন, “তাদের মধ্যে দাম্পত্য জটিলতা দীর্ঘদিনের। কলহের কারণে এক পর্যায়ে নাখালপাড়ায় কাছাকাছি দুটো বাসায় আলাদা থাকতে শুরু করেন তারা। তবে দুজনেই সন্তানদের দেখাশোনা করতেন। সন্তানরা বলেছে, মাঝেমধ্যে তাদের বাবা-মায়ের মিটমাট হয়ে যেত, আবার নতুন করে সমস্যা হত।”
যে বাসায় দুজনের লাশ পাওয়া গেছে, সেখানে ফারজানা থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে ওই বাসায় যান আজমত।
রুবায়েত বলেন, “সম্ভবত মিটমাটের আলোচনা করতেই স্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু কোনো কারণে সেটা খারাপ দিকে যায়। সবকিছু দেখে প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা হয়েছে, স্ত্রীকে হত্যার পর নিজে আত্মহত্যা করেছেন আজমত।”







